1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রফতানি, আয় প্রায় ২০ কোটি ডলার তরুণ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে সোচ্চার থাকার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক: হতে পারে যেসব আলোচনা ১৫-২০ মিনিটের মধ্যেই লাগেজ পাচ্ছেন যাত্রীরা: বিমানমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের ষড়যন্ত্র দেশের মানুষই প্রতিহত করবে: রিজভী দেশ গড়তে ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জুলাইকে ধারণ না করলে জাতীয় প্রত্যাশা পূরণ হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন আইনমন্ত্রী বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা এখন পুরোপুরি উন্মুক্ত: ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার বাংলাদেশে আর সাংস্কৃতিক বিভাজন হতে দেওয়া হবে না: রিজভী

দক্ষিণ আমেরিকার বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশের রফতানি, আয় প্রায় ২০ কোটি ডলার

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত

প্রচলিত বাজারের বাইরে রফতানি সম্প্রসারণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য রফতানি বাড়ানোর চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে ১৯ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। এ অঞ্চলে ব্রাজিল, চিলি ও পেরু বাংলাদেশের প্রধান রফতানি গন্তব্য হিসেবে উঠে এসেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ব্রাজিলে সাত কোটি আট লাখ ২০ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। চিলিতে রফতানি হয়েছে পাঁচ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য। আর পেরুতে রফতানির পরিমাণ দুই কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। এছাড়া কলম্বিয়ায় এক কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার, উরুগুয়েতে এক কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার এবং আর্জেন্টিনায় এক কোটি দুই লাখ ৮০ হাজার ডলারের রফতানি হয়েছে।

ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার প্রচলিত বাজারের বাইরে দক্ষিণ আমেরিকায় রফতানি সম্প্রসারণের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তৈরি পোশাক এখনো এ অঞ্চলে বাংলাদেশের রফতানি আয়ের প্রধান উৎস হলেও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য, গৃহসজ্জার সামগ্রী, হস্তশিল্প ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজার সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

এ লক্ষ্যে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ প্রদর্শনীতে অংশ নেয় বাংলাদেশ। ইপিবির আর্থিক সহায়তায় এবং ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের চারটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— জিহান প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ, মাদার ট্যানারি, রেইনবো জুট ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস। প্রদর্শনীতে পাঁচটি বুথে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য তুলে ধরে।

প্রদর্শনীতে পাটজাত পণ্য, ব্যাগ, চামড়াজাত সামগ্রী, প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি ঝুড়ি, গৃহসজ্জার উপকরণ, বাঁশের পণ্য, টেরাকোটা, মাটির তৈরি সামগ্রী ও নকশিকাঁথা প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশের রফতানিযোগ্য পণ্য ও সম্ভাবনাময় খাত সম্পর্কে বিদেশি ক্রেতাদের জানাতে ইপিবি ও বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকেও একটি প্রচারমূলক বুথ স্থাপন করা হয়।

প্রদর্শনী চলাকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়। সম্ভাব্য ক্রেতারা বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শন করে প্রদর্শিত পণ্যের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের গৃহসজ্জা ও জীবনযাপন-সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি নিয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এর মাধ্যমে ব্রাজিলের ব্যবসায়ী সংগঠন ও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, বাংলাদেশের রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং উদীয়মান আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইপিবি কাজ করছে। এজন্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আরও পরিকল্পিত ও পেশাদারভাবে অংশ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং অল্প কয়েকটি রফতানি বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের রফতানি আয়কে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। এ কারণে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার খুঁজে বের করা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

মোহাম্মদ হাসান আরিফ আরও বলেন, আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট বাজারের চাহিদা, ভোক্তার পছন্দ, পণ্যের দাম, প্রতিযোগিতা ও ব্যবসায়িক রীতিনীতি সম্পর্কে আগাম গবেষণা করা প্রয়োজন।

এতে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের সুফল বাড়বে। একই সঙ্গে জাতীয় প্যাভিলিয়নের ব্র্যান্ডিং জোরদার, রফতানিকারকদের প্রস্তুতি উন্নত করা এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। এর মাধ্যমে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সুযোগে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।

ইপিবির পণ্যভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে বাংলাদেশের রফতানি এখনো মূলত তৈরি পোশাকনির্ভর। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ওভেন কাপড়ের পোশাক ও পোশাকের আনুষঙ্গিক পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় আট কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার। একই সময়ে নিট পোশাক রফতানি হয়েছে প্রায় সাত কোটি ১০ লাখ ডলারের।

এ দুই শ্রেণির পণ্য মিলিয়ে রফতানি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা ওই ১১টি দেশে বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৭৯ দশমিক ২ শতাংশ।

এ সময়ে ওষুধ রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৬৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার। জুতা ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রফতানি থেকে এসেছে প্রায় ৫৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। এছাড়া অন্যান্য বস্ত্রপণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী ও ভ্রমণসামগ্রীও রফতানি তালিকায় রয়েছে। এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের রফতানি ঝুড়িতে বৈচিত্র্য আনার সুযোগ রয়েছে।

রফতানির হিসাবে ব্রাজিল ও চিলি একত্রে বাংলাদেশের মোট রফতানি আয়ের প্রায় ৬২ দশমিক নয় শতাংশ জোগান দিয়েছে। দেশ দু’টিতে রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। ফলে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনায় ব্রাজিল ও চিলি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশাপাশি পেরু ও কলম্বিয়ায় ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়িয়েও বাংলাদেশের রফতানি সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park