1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
‘এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে’ তাহসিফ হত্যা মামলায় বন্ধু দীপ গ্রেফতার, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ মিরপুর-১০ নম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, যান চলাচল ব্যাহত ৯ মাস পর চেনা ছন্দে তানিয়া বৃষ্টি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ইংরেজি ও আইসিটিতেই ফেল ৩ লাখ ৮২ হাজার শিক্ষার্থী ঢাকা কলেজে পাসের হার ৯৯.৩৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেলেন ৬৮৮ জন প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি, কারণ অনুসন্ধানে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি ৫ বছরে ১ কোটি দক্ষ কর্মী বিদেশে পাঠানোর মহাপরিকল্পনা সরকারের ভরিতে ১৬৩৩ টাকা কমলো স্বর্ণের দাম ৪ দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

‘এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে’

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষার্থীদের যেন আরও একটি বছর নষ্ট না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার এক বিষয়ে ফেল করেছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থী মিলিয়ে মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জনের পরীক্ষা নিতে হবে। এবার মোট অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৪১৩ জন।

তিনি বলেন, ‘যারা এক ও দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের পরীক্ষা আমরা এক মাসের মধ্যে নিয়ে নেব। তাহলে যেন তাদের আগামী দিনে আর একটি বছর নষ্ট না হয়। এটি হচ্ছে আমাদের পরবর্তী পরিকল্পনা।’

পরীক্ষার সময় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাত বা ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলেও এতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ঘাটতি থাকবে। আবার পরীক্ষা পিছিয়ে গেলে তাদের ভর্তি কার্যক্রমেও প্রভাব পড়বে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হবে। তবে এক মাসের বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হবে না।

খাতা পুনর্নিরীক্ষণের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদন পাওয়ার পর খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে। গত এসএসসি পরীক্ষায় প্রায় ১৩ লাখ খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য জমা পড়েছিলো। সেগুলো যাচাই করে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তন হয়েছিল। প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছিলো এবং ৩ হাজার ৭৯ জন বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছিলো।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশের পদ্ধতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে। পরীক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং খাতা মূল্যায়নে বেশি ভুল হলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও কাজ হচ্ছে। আগামী দিনে যেন স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেওয়া যায় এবং সঠিক ফল প্রকাশ করা যায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চান, যে যা করেছে তার সঠিকভাবে মূল্যায়িত হওয়া। কাউকে যেন অবমূল্যায়িত করা না হয়। স্বচ্ছ ফল আমাদের দিতে হবে।’

এবারের ফলাফলে শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে ঘাটতি দেখা গেছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এটি একটি বাস্তব চিত্র। এসব ঘাটতি কীভাবে পূরণ করা যায়, সে জন্য মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড কাজ করবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে হবে।

এবার পাসের হার কমে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত বছর এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এবার তা কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ হয়েছে। পাসের হার কমে যাওয়াকে তিনি সন্তোষজনক মনে করেন না। শিক্ষার্থীদের শেখার পদ্ধতি, অভিভাবকদের ভূমিকা ও শিক্ষার পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় মিলিয়ে ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করতে হবে।

কোন বিষয়ে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইংরেজিতে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১৩ হাজার ৮৪৯ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ইংরেজি বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবে। প্রয়োজনে আশপাশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করা যায় কি না, তা ভাবা হচ্ছে। তবে এতে শিক্ষকদের চাকরি যাবে না বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বাড়াতে হবে, বাড়িতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে এবং মোবাইল আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। শিক্ষার্থীরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের জন্য সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং বাজেট বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে।

আগের বছরগুলোতে পাসের হার বেশি থাকার বিষয়ে তদন্ত করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর ফলাফলে কোনো ত্রুটি ছিলো কি না, তা আরও পরিষ্কার হবে। পরীক্ষক ও শিক্ষকদের কোনো ঘাটতি ছিলো কি না, সেটিও দেখা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে জিপিএর শর্ত শিথিল করা হবে কি না, জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোন বিশ্ববিদ্যালয় কতোটুকু মান বজায় রেখে শিক্ষার্থী ভর্তি করবে, সেটি তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে ভর্তি হওয়ার সুযোগ সবাই পাবে। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ মিলিয়ে এবার প্রায় ১৩ লাখ ৪০ হাজার আসন রয়েছে। পাস করেছে প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী।

এনসিটিবির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং প্রশ্নপত্র ও খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এসব বিষয় খতিয়ে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের অনেক দুর্বলতা রয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণে ৪৫ হাজার শিক্ষার্থীর গ্রেড পরিবর্তনের ঘটনা তার প্রমাণ।

তিনি আরও বলেন, কোথাও কোথাও এমসিকিউ প্রশ্নপত্র পাল্টে দেওয়া হয়েছে এবং সংঘবদ্ধভাবে ফল পরিবর্তনের অপচেষ্টা হয়েছে। এ ধরনের কিছু ঘটনা ধরা পড়েছে, বাকিগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। পরীক্ষা পদ্ধতি, শিক্ষা বোর্ড, পরীক্ষক এবং প্রশ্নপত্রসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা রয়েছে। সেগুলো ধীরে ধীরে চিহ্নিত করা হচ্ছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park