জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে আনা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই মামলায় পলাতক আসামি মির্জা আজমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আগামী ২২ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
আমির হোসেন আমু ছাড়া অন্য ছয় আসামি হলেন সাবেক পাঁচ মন্ত্রী শাজাহান খান, ড. আব্দুর রাজ্জাক, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খান, ডা. দীপু মনি ও মির্জা আজম এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্রের ব্যবহার, কারফিউ জারি, ইন্টারনেট বন্ধ এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন অপরাধের তথ্য-প্রমাণ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি জমা দেওয়া হয়েছে সাক্ষীদের জবানবন্দিও।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, সরকারের নীতিনির্ধারক হিসেবে আসামিরা জুলাই আন্দোলন দমনে অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা করেছেন। সরকারি ভবনে আগুন দিয়ে সেই দায় আন্দোলনকারীদের ওপর চাপানোর কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের দাবি, এসব নির্দেশনার সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততার তথ্য-প্রমাণও রয়েছে।
এর আগে গত সোমবার এই সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন।
Leave a Reply