সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচার মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের ৭ বছরের সাজার রায় স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একই সাথে জরিমানাও স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে এ মামলায় গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাকে খালাস দেয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আইনজীবী সাব্বির হামযা চৌধুরী বলেন, এ মামলা করার এখতিয়ার দুদকের নেই। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আইনবহির্ভূতভাবে মামলা করেছে।
সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগের মামলায় ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে খালাস দেন। ওই মামলায় ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদন্ড ৪০ কোটি টাকা জরিমানা করে।
পরে বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুদক ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আইনজীবী। গিয়াস উদ্দিন মামুনের পক্ষে করা আপিল খারিজ করে ২০১৬ সালে বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে সাত বছরের কারাদন্ড দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেন। একইসাথে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাজা বহাল রেখে জরিমানা ৪০ কোটি থেকে কমিয়ে ২০ কোটি করে। এটি ছিল তারেক রহমানের প্রথম সাজা।
৫ আগস্টের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গিয়াস উদ্দিন কারাগার থেকে বেরিয়ে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। আজ সোমবার আপিল বিভাগ তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করে লিভ টু আপিল গ্রহণ করে বলে জানান আইনজীবী সাব্বির হামযা চৌধুরী।
Leave a Reply