সারাদেশে মাঘের শীতের তীব্রতা ও ঘনকুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবন। উত্তরের জনপদে শৈত্য প্রবাহ ও কনকনে ঠান্ডায় নাকাল সাধারণ মানুষ। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
পঞ্চগড়ে ঘন কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো শীতে সাধারণ মানুষ রয়েছে দুর্ভোগে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছে কৃষিশ্রমিক, রিকশা ভ্যান চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষ। সূর্যের দেখা নেই। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯ টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস।
চুয়াডাঙ্গায় শীতে জবুথবু জেলার জনজীবন। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিম বাতাসে বেড়েছে দুর্ভোগ। হাসপাতালে বাড়ছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা। সকাল ৯ টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে, সিলেটে মাঘের শীতের তীব্রতায় কাঁপছে জনপদ। ঘনকুয়াশায় সড়কে গাড়ি চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার কারণে দূরপাল্লার যাত্রায় ভোগান্তি বেড়েছে। কর্মস্থলে যেতে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। তাপমাত্রা আরও নিচে নামার সম্ভাবনা রয়েছে, জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
জয়পুরহাটে বুধবার রাত থেকে বইছে দমকা বাতাস, সেই সাথে পড়ছে ঘন কুয়াশা।
Leave a Reply