গ্রাহকের আচরণ গত পরিবর্তনের মাধ্যমেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকট উত্তরণ করা সম্ভব বলে মনে করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি- বিজিএমইএ ভবনে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, গরমে স্যুট পরে এসির তাপমাত্রা কামানোর প্রবণতা ও অহেতুক বিদ্যুতের অবচয় বন্ধ করতে পারলে আসন্ন রমজানে লোডশেডিং এরানো সম্ভব।
তিনি জানান, বর্তমানে বিদ্যৎ ও জ্বালানি খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। আইএমএফ ঋণ শোধ করার ব্যাপক চাপ থাকা সত্বেও জনস্বার্থে গেলো ছয় মাসেও সরকার বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেনি। তাই সকলকে অহেতুক বিদ্যুতের অবচয় বন্ধ করার আহ্বানও জানান জ্বালানি উপদেষ্টা।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যাপক চাপ থাকা সত্ত্বেও গত ছয় মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ায়নি সরকার। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারকে। গ্রাহকরা প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য সরকারকে দেয় ৮.৯০ টাকা। অথচ সরকার কেনে ১২ টাকায়।’
ভবিষ্যতে যারা নতুন করে লাইনের গ্যাস চাইবে তাদের বাড়তি দাম দিতে হবে বলে জানান জ্বালানি উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘৭০ টাকায় গ্যাস কিনে সরকার কমদামে দিতে পারবে।
Leave a Reply