আগের বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে ছোলা। রাজধানীর পাইকারি মোকাম মৌলভীবাজারের আড়তে মানভেদে ছোলার দর ৯২ থেকে ৯৮ টাকা হলেও খুচরায় মিলছে না ১১০ থেকে ১২০ টাকার নিচে। চাহিদা বিবেচনায় কয়েকগুণ ছোলার মজুত থাকার পরও কমেনি দাম। তবে, স্বস্তির খবর হলো, নতুন করে আর বাড়েনি ডালের দাম।
প্রতি বছর রমজান এলেই বাড়ে ছোলার চাহিদা। বছরের অন্য মাসে গড়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন ছোলার চাহিদা থাকলেও রমজানে চাহিদা বাড়ে চার থেকে পাঁচ গুণ।
রমজানের চাহিদা বিবেচনায় গেলো ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে আমদানি হয়েছে প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার টন ছোলা। ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে, রোজার মাসের চাহিদার তিনগুণেরও বেশি ছোলা আমদানির পরও কমেনি দাম।
পর্যাপ্ত আমদানির পরও ছোলার দাম না কমার জন্য ডলারের দামের উর্ধ্বগতি এবং গুণগত মানকে কারণ বলছেন ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ছোলার দামে তারতম্য থাকলেও পাইকারি বাজার কারওয়ানবাজারে মিলছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকার ঘরে। গত বছরের তুলনায় এবছর ছোলার দাম প্রায় ১৫ টাকা বেশি হলেও রোজা শুরুর কয়েকদিনের মধ্যে কমার আশ্বাস ব্যবসায়ীদের।
Leave a Reply