রোজায় নিত্যপণ্যের দাম চড়েছে। বিশেষ করে ইফতারের অন্যতম উপাদান লেবু, শসা আর বেগুনের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। বাড়তি মাছ ও মুরগির দামও। তবে অন্য বছরের তুলনায় ছোলা, চিনিসহ বেশকিছু পণ্যের দাম নতুন করে বাড়েনি। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ভোজ্যতেলের সরবরাহ।
রমজান আসলেই কিছু পণ্যের চাহিদা যেমন বাড়ে তেমনি বেড়ে যায় দামও। এ অনেকটাই নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারও ব্যত্যয় ঘটেনি তার। তবে রমজানের প্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম কমায় স্বস্তির কথাও জানান ক্রেতারা। ছোলা, বেসন আর চিনির দামে সমস্যা না দেখলেও, তেল নিয়ে আছে বিস্তর অভিযোগ। যদিও বিক্রেতারা বলছেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে।
চাহিদা বাড়তি আর সরবরাহ কমার অজুহাতে মাছের দাম বাড়ার অভিযোগ বিক্রেতাদের। কেজিতে ১০-২০ টাকা বাড়ার কথা বললেও, ক্রেতারা বলছেন তারচেয়েও বেশি বেড়েছে মাছের দাম। কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার ২১০ ও সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩১০ টাকায়। ক্রেতারা বলছেন, সুযোগসন্ধানী বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে নেই কোন অভিযান।
সবজির বাজারে বেশ কিছুদিন ধরেই স্বস্তি বিরাজ করলেও হঠাৎই দাম বেড়েছে ইফতারের কিছু উপকরণের। লেবু, শসা আর বেগুনের দামে আগুন। সেই তাপ লেগেছে আদা, রসুন ও পেঁয়াজেও।
রোজায় নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে সঠিকভাবে বাজার মনিটরিংয়ের তাগিদ সচেতন ক্রেতাদের।
Leave a Reply