নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক সচিব ড. মো. মুজিবুর রহমান সম্প্রতি বিএনপি সাজার চেষ্টা চালাচ্ছেন। বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে নিজেকে বিএনপি প্রমিক বানানোর চেষ্টা করছেন। তার এমন বদলে যাওয়া আচরণে নিজ এলাকা পবনা-২ এ ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি চ্যানেল আইয়ের তৃতীয় মাত্রার “বাংলাদেশ নিয়ে কি হচ্ছে”শীর্ষক আলোচনায় আওয়ামী দোসর ড. মো. মুজিবুর রহমান কি বলেন?
ডঃ মোঃ মজিবুর রহমান এর পরিচিতিঃ
ছাত্রজীবনে তিনি মুজিদবাদী ছাত্রলীগ করেন। তিনি স্বাধীনতার পর মুজিব সরকারের আমলে ১৯৭২ সালে বিসিএস অটোপাস করে ক্যাডার সার্ভিসে যোগদান করেন। সারাজীবন সচিবালয় চাকরি করছেন ।
বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব থাকা অবস্থায় কসকরের দায়িত্ব পালন করেন, ডেসার মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশ বিমান ফাইনান্স এর মেম্বারও তিনি ছিলেন। এই সময়ে তিনি কোটি কোটি টাকা লুটপাট করন।
১৯৯৬- ২০০০ আওয়ামী শাসনামলে পাবনা ২ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির খুরশিদ জাহান হক ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করলে তিনি এবং তার ভাই ভাতিজা সহ লোকজন খুরশিদ জাহান হককে কটুক্তি করেন এবং বেইজ্জতি করে অশোভ আচরণ করেন। যার ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর প্রথম যে সাতজনকে চাকুরীচ্যুত করা হয় তার মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
আবার ২০০৯ সালে আওয়ামী শাসন শুরু হলে আওয়ামী দোসর ডঃ মোঃ মুজিবুর রহমান উপসচিব থেকে অনেক পদ ডিঙিয়ে সরাসরি ভূতাপেক্ষা সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। একপর্যায়ে ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান পদটি বাগিয়ে নেন। এখান থেকেও তিনি কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেন।
৬৯ পাবনা- ২ (সুজানগর- বেড়া আংশিক) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান এবং জোর লবিং করেন। এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করেন।
৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর তিনি গা ঢাকা দেন এবং লোক চক্ষুর অন্তরালে চলে যান। সুযোগ সন্ধানী ডঃ মোঃ মুজিবুর রহমান সময়ের ব্যবধানে আবার এখন আওয়ামী দুশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলে বিএনপি-এনসিপির নজর করার চেষ্টা করে জনসম্মুখে আসার পথ খুঁজছেন।
অনতিবিলম্বে তার গ্রেপ্তার হওয়া উচিত। তার দুর্নীতির তথ্য খুঁজে বের করা দরকার।
এনএনবিডি/এসএস
Leave a Reply