সরকারের দেওয়া আলুর হিসাব সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে “আলুর বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে” সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, বিগত বছরগুলোতে কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা সঠিক মূল্য না পাওয়ায় লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে গম, ভোজ্য তেল ও ভুট্টার মূল্য অধিক হওয়ায় সরিষা গম ভুট্টা চাষে উৎসাহিত হয় অধিকহারে এসব পণ্য চাষ করেছে সে কারণে আলু কম জমিতে চাষ হয়েছে। ২০২২-২৩ মৌসুমে আলুর ফলন কম হয়েছে।
এবছর ২৩ লাখ ১২ হাজার মেট্রিক টন আলো সংরক্ষণ রয়েছে যেখানে ২০২২ সালে ২৪ লাখ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন আলু দুঃখিত হয়েছিল ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ১ লাখ ৭২৩৪ মেট্রিক টন আলু সুরক্ষিত হয়েছে।
কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ২০০৩ সালে ২৪ লাখ ৯২ হাজার সংরক্ষিত হয়েছে ২০২২ সনে ২২ লাখ ৮ ঐ মেট্রিক টন আলো হিমাগারের সংরক্ষিত হয়েছিল।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ২ লক্ষ ১৬ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন আলু হিমাগারের সংক্রম সংরক্ষিত হয়েছে। কিন্তু চলতি বছরে ১৫ মে ৪৫ দিন আগে আলু খালাস হওয়ার কারণে সেপ্টেম্বরের প্রথম মাসে পর্যন্ত আলু সংরক্ষণ অন্যান্য বছরের ন্যায় কম রয়েছে।
২০২৩ সালে আলু উৎপাদনের যাবতীয় খরচ ( সার কীটনাশক, মজুরি, পরিবহন) ১২ থেকে ১৩ টাকা প্রতি কেজি হিমাগার ভাড়া ৫- ৬ টাকা কেজি ফলে হিমাগার সেটের প্রকারভেদ মূল্য দাঁড়ায় ১৮ থেকে ২০ টাকা প্রতি কেজি।
২০২৩ সালের মে মাসের ২০ তারিখের পর হতে যখন আলু খালাস হওয়া শুরু হয় তখন শেডে কাঁচা আলুর মূল্য প্রতি কেজি ২৬ থেকে ২৭ টাকা এই দরে আলুর প্রকারভেদ বিক্রি শুরু হয়েছিল যা আজ হিমাগার এসেছে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ মাসে শেষ সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে ১০ টাকা যা কাঙ্ক্ষিত নয়৷ এমন পরিস্থিতিতে অতি মুনাফা লোভীদের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বিসিএসএ সভাপতি বলেন, দেশে আলুর সংকট নেই, রাজধানীর বাজারে আলুর কেজি ৩৬ থেকে ৩৭ টাকার বেশি হবে না, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
Leave a Reply