গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার প্রায় সব নৌযানের গতিরোধ করে অন্তত পাঁচশ স্বেচ্ছাসেবীকে আটকের ঘটনায় ইসরাইলবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইউরোপ আর আরব রাষ্ট্রগুলো। স্বেচ্ছাসেবীরা অক্ষত আছেন এমন ভরসা দিয়ে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে ইসরাইল।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সুমুদ ফ্লোটিলা বহরে থাকা ৪৪টি নৌযানের একটি বাদে সবগুলোতে হানা দিয়ে আটক অভিযান চালায় ইসরাইলি সেনারা।
আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবীদের ইসরাইলের আশদোদ বন্দরে নেওয়ার পর কয়েদিদের বাসে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। আলোচিত পরিবেশ আন্দোলন কর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ কমপক্ষে ৩৭টি দেশের পার্লামেন্ট সদস্য, চিকিৎসক, আলোকচিত্রী, লেখক, প্রকৌশলীসহ স্বেচ্ছাসেবীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে কাজ চলছে। তারা সুস্থ আছেন, অক্ষত আছেন, এমন ভরসা দিয়ে উদ্বিগ্ন না হতে বলেছে ইসরাইলের পররাষ্ট্র দফতর। দূরে থাকায় যে নৌযানে হানা দেওয়া যায়নি সেটি গাজায় যাবার চেষ্টা করলে আটকের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ইসরাইলের এই অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচি আর পুলিশের বাধায় সংঘর্ষ অব্যাহত আছে দেশে দেশে।
সংঘর্ষ হয়েছে স্পেনের মাদ্রিদ ও বার্সেলোনায়। ভাঙচুর হয়েছে আন্তর্জাতিক চেইন-শপে।
জার্মানির বার্লিনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবন ঘিরে বিক্ষোভ আর নাম ফলকে লাল রঙ ছোড়ায় কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ইতালিতে শুক্রবার ধর্মঘটনের ডাক দিয়েছে শ্রমিক সংগঠনগুলো। ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
Leave a Reply