1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দুদকের প্রেস ব্রিফিং চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিটের আদেশ ১১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে আজ মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট, দুই দলের জমজমাট লড়াইয়ের সম্ভাবনা তাহসিফ সৌরি হত্যা মামলায় দীপকে আবারও রিমান্ডে চায় পুলিশ ১ মাস কারাভোগের পর মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান বাংলাদেশ-ইউএইর সিইপিএ চুক্তি দ্রুত সম্পাদনের তাগিদ অনুশীলনে অঘটন, ভারত সিরিজের আগে আরও এক দুঃসংবাদ নিউজিল্যান্ডের আমার সঙ্গেও এ রকম হয়েছে, যেটা খুবই বিরক্তিকর: পারসা ইভানা হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার কুইক রেন্টালের নামে লুটপাটের পরিবর্তে সাশ্রয়ী উপায়ে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

‘উপদেষ্টাদের নয়, অপশাসন-দুর্নীতি থেকে জাতির সেফ এক্সিট দরকার’

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৩ বার পঠিত

কোন উপদেষ্টার সেফ এক্সিটের প্রয়োজন নেই বলে দাবি করলেন আইন উপদেষ্টা ড. আফিস নজরুল। তিনি বলেন-উপদেষ্টাদের নয়, অপশাসন ও দুর্নীতি থেকে জাতির সেফ এক্সিট দরকার।
শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ নিয়ে এক আলোচনায় আইন উপদেষ্টা এ কথা বলেন।

আসিফ নজরুল বলেন- গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষার জন্য আমাদের সবক্ষেত্রে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। শুধু রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে নয়, দেশের সব ক্ষেত্রেই এই দুর্বলতা সীমাহীন বলেও মন্তব্য করেন আইন উপদেষ্টা।

গত পনের বছরে যে সব বিচারক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা দেখার পরও চুপ ছিলেন, তাদের সমালোচনাও করেন আসিফ নজরুল। ভাল আইন হলেই হবে না, এর আইনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে না পারলে জাতির মুক্তি নেই বলেও মন্তব্য করেন আইন উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, বাহাত্তরের সংবিধানে বলা হয়েছিলো যে রাষ্ট্রপতি বিচারপতিকে স্বাধীনভাবে নিয়োগ করবেন যেন এতে রাজনৈতিক প্রভাব না থাকে। কিন্তু সবাই জানেন রাষ্ট্রপতি কখনই স্বাধীনভাবে বিচারপতিকে নিয়োগ করতে পারেননি। এদেশে সবসময় বিচারপতি নিয়োগ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী।

আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এমন প্রধান বিচারপতিও পেয়েছি যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্র ধ্বংস করার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যারা নিজের চোখে গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড দেখেও তা উপেক্ষা করেছেন। যে সকল বিচারক মানবাধিকার লংঘনে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছে তাদের শাস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে এমন কেউ কেউ এখনো বিচার বিভাগে রয়ে গেছে। আমরা ইনস্টিটিউশনাল রিফর্ম এর পথে কিছুটা অগ্রসর হয়েছি, পুরোটা করতে পারি নাই। পরের যারা নির্বাচিত সরকার হবেন, তাদের কাছে এই দায়িত্বটা থাকলো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park