কেরালায় ছড়িয়ে পড়া নিপাহ ভাইরাসের সাথে বাংলাদেশের নিপাহ ভ্যারিয়েন্টের মিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিনা জর্জ। সংক্রমণ ঠেকাতে হাজার খানেক মানুষকে আইসোলেশনে রাখার পাশাপাশি পুলিশি পাহারায় ঘিরে রাখা হয়েছে সাতটি গ্রাম। রাজ্যজুড়ে জারি আছে সতর্কাবস্থা।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কেরালায় নিপাহ ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত হয়েছে ছয় জন। ছড়িয়ে পড়া ধরনটির সাথে বাংলাদেশের নিপাহ ভ্যারিয়েন্টের মিল থাকলেও কোন বাংলাদেশির মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে কিনা- সে দাবি করেনি কেরালার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ভ্যারিয়েন্টটি মানুষ থেকে মানুষে ছড়ানোর ক্ষমতা রাখে। মৃত্যু হার বেশি হলেও বাংলাদেশি ভ্যারিয়েন্ট অতটা সংক্রামক নয় বলেও দাবি স্বাস্থ্য দফতরের। এদিকে, সংক্রমণ ঠেকাতে কেরালার অন্তত সাতটি এলাকা আলাদা করে সেখানকার ব্যাংক, স্কুল, সরকারি অফিস ও সব ধরনের দোকান-পাট বন্ধ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। ওই এলাকার জনসাধারণ যাতে অন্য এলাকায় যেতে না পারেন সেজন্য রাখা হয়েছে পুলিশ পাহারা।
বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যুর পর তাদের সংস্পর্শে আসা অন্তত আটশ’ জনকে পরীক্ষার পর পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
এদিকে, নিপাহ ভাইরাস আতঙ্কের মাঝেই ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়েছে উত্তর প্রদেশসহ ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে। সূত্র: টাইমস্ অব ইন্ডিয়া
Leave a Reply