নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে আবারও অস্থিরতা রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোয়। সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে বেশিরভাগ সবজির দাম। ঊর্ধ্বমুখী ডিমের বাজারও। এতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষজন। তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে মুরগি আর চালের বাজারে।
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে যেন আগুন। প্রায় সব সবজিই বিক্রি হচ্ছে চড়া দরে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কম আর পাইকারি বাজারে বাড়তি দামের কারণেই খুচরা বাজারেও বাড়ছে দাম।
বেগুন, করলা, পেঁপে, বরবটি, শসা, কাঁচামরিচসহ কোন সবজিই ৮০ থেকে ১০০ টাকার নীচে নেই। এতে সংসারের খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, কয়েকদিন পরপরই নতুন অজুহাতে বাড়ছে দাম। দেখার যেন কেউ নেই।
বিশেষ করে আদা, রসুন ও পেঁয়াজের দাম বাড়ায় বাড়তি চাপ পড়েছে রান্নাঘরের বাজেটে।
নতুন করে অস্থির হয়ে উঠেছে ডিমের বাজারও। লাল ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়, আর সাদা ডিম ৪৪ টাকায়। কোথাও কোথাও ডজনপ্রতি দাম উঠেছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত।
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ডিমের চাহিদা কমতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই আগেভাগে দাম বাড়িয়েছে একটি সিন্ডিকেট।
স্বস্তি নেই ভোজ্যতেলের বাজারেও। ৯৫০ টাকার সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ৯৭০ টাকায়।
তবে কিছুটা স্বস্তি ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির বাজারে। পাশাপাশি নতুন চাল বাজারে আসায় চালের দামও কিছুটা কমেছে।
মোটামুটি স্থিতিশীল মাছের বাজারও। তবে সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হওয়ার শঙ্কা সাধারণ মানুষের।
Leave a Reply