আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্টদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরিশালে আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “নতুন প্রজন্মকে যুগোপযোগীভাবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। দেশের সব শিক্ষককে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।”
পরীক্ষা পরিচালনায় অনিয়ম ও অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত আইন আরও যুগোপযোগী করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে থেকে কেউ বিশৃঙ্খলা বা সমস্যার সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে, যাতে কোনো ধরনের জোরজবরদস্তি বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে।”
তিনি আরও বলেন, “খাতা পরিবর্তন, নম্বর বণ্টনে অনিয়ম কিংবা ফলাফল সংক্রান্ত কোনো অসঙ্গতি পাওয়া গেলে সেসব ক্ষেত্রেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী জানান, “যেকোনো পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি দুই বছরের কোর্স দুই বছরের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও কোনো ধরনের সেশনজট রাখা যাবে না।”
তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষাব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
Leave a Reply