1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফের অশান্ত ভারতের মনিপুর, নিহত ৫ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের প্রাণহানি জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত শক্তি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উসকানি দিচ্ছে: রিজভী আ. লীগ ও ধর্ম ব্যবসায়ীরা মিলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে: খায়রুল কবির খোকন শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা সফল হবে না: মাহদী আমিন শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ায় রাজিব দাস আটক পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে: জামায়াত আমির

এল নিনোর প্রভাবে এ বছর খাদ্যসংকটে পড়বে ৫ কোটি মানুষ, সতর্ক করলো ডব্লিউএফপি

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত

দ্রুত শক্তিশালী হয়ে ওঠা এল নিনোর প্রভাবে আগামী বছরের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ৫ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটের মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। সংস্থাটি বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
ডব্লিউএফপির বুধবার (৫ আগস্ট) প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের ৪৫টি দেশে প্রায় ২২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্য অনিরাপত্তায় রয়েছে। এল নিনোর প্রভাব বাড়লে এ তালিকায় আরও ৫ কোটির বেশি মানুষ যুক্ত হতে পারে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। এছাড়া দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকায় কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের এল নিনো গত ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে। জলবায়ু সংকটের কারণে এর প্রভাব আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৭ সাল ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন তারা।

ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও পূর্বপ্রস্তুতিমূলক ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা করা হবে। এ জন্য সংস্থাটি কমপক্ষে ৮ কোটি মার্কিন ডলার বরাদ্দ রেখেছে।

সংস্থাটির জলবায়ু ও সহনশীলতা বিভাগের পরিচালক রিচার্ড চুলারটন বলেন, এল নিনোর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০২৭-২০২৮ সালের খাদ্যস্বল্পতার মৌসুমে সবচেয়ে বড় সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ডব্লিউএফপির খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের পরিচালক জ্যাঁ-মার্টিন বাউয়ার বলেন, বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। তবে পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করবে খাদ্য রপ্তানিকারক দেশগুলোর নীতির ওপর। তিনি সতর্ক করে বলেন, বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো যদি খাদ্য রপ্তানি সীমিত বা বন্ধ করে, তাহলে বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে এবং মানুষের খাদ্যপ্রাপ্তি আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

এদিকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের কৃষকেরাও অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টির ঘাটতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এতে বৈশ্বিক খাদ্যবাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সূত্র: গার্ডিয়ান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park