1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

অবশেষে ‘মহাকাশে অস্ত্র’ মোতায়েনের কথা স্বীকার করলো যুক্তরাষ্ট্র

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সচিব ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী পৃথিবীর কক্ষপথে একটি ‘মহাকাশ অস্ত্র’ মোতায়েন করেছে। শত্রুপক্ষের সম্ভাব্য হামলা থেকে মার্কিন বাহিনী ও মহাকাশসম্পদ সুরক্ষায় এই অস্ত্র প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের এয়ার, স্পেস অ্যান্ড সাইবার কনফারেন্সে দেওয়া বক্তব্যে মেইঙ্ক বলেন, পরিবর্তিত ও ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে কক্ষপথে মোতায়েন করা অস্ত্রটির ধরন, সক্ষমতা কিংবা ঠিক কখন এটি মহাকাশে পাঠানো হয়েছে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা এর আগে মহাকাশে দেশটির সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি, রাশিয়া ও চীন এমন প্রযুক্তি ও কর্মসূচি উন্নয়ন করছে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ সংঘাতে মার্কিন স্যাটেলাইটে হামলা বা সেগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত করা সম্ভব হতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনও মহাকাশভিত্তিক সক্ষমতা এবং ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রকে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত ‘গোল্ডেন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো ক্ষেপণাস্ত্রসহ আকাশপথের বিভিন্ন হুমকি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সুরক্ষা দেওয়া।

১৯৬৭ সালের একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে মহাকাশে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনসহ বড় শক্তিগুলো চুক্তির আওতার বাইরে থাকা বিভিন্ন সামরিক সক্ষমতা নিয়ে কাজ করে আসছে। এর মধ্যে প্রতিপক্ষের স্যাটেলাইটকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রযুক্তিও রয়েছে। সামরিক যোগাযোগ, নজরদারি ও নেভিগেশনের জন্য এসব স্যাটেলাইট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এতে মার্কিন স্পেস ফোর্সের দায়িত্ব শুধু মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মার্কিন স্পেস ফোর্স দেশটির ৭০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সামরিক বাহিনীর নতুন শাখা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। মহাকাশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ, বিশেষ করে যোগাযোগ ও নজরদারির কাজে ব্যবহৃত শত শত স্যাটেলাইট সুরক্ষাই এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

মার্কিন স্পেস ফোর্সের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘স্পেস কন্ট্রোল’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণের আওতায় প্রতিপক্ষের সক্ষমতায় বিঘ্ন ঘটানো, কার্যকারিতা কমিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ধ্বংস করার মতো ‘কাইনেটিক’ ও ‘নন-কাইনেটিক’ পদ্ধতি ব্যবহারের সক্ষমতা রয়েছে। এসব সক্ষমতা আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক—উভয় উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা যেতে পারে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে জানা যায়, ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে দুটি রুশ স্যাটেলাইট সম্ভবত অন্তত এক ডজন ইউরোপীয় স্যাটেলাইটের যোগাযোগে হস্তক্ষেপ করেছে। এর ফলে রুশ গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্যাটেলাইটগুলোর মাধ্যমে পাঠানো সংবেদনশীল তথ্য পড়তে পেরেছে বলে ধারণা করা হয়। এমনকি তাত্ত্বিকভাবে স্যাটেলাইটগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।

২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, রাশিয়া এমন একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছে বলে তারা ধারণা করছে, যা অন্য মহাকাশযান বা স্যাটেলাইটে হামলা চালাতে সক্ষম হতে পারে। তবে এ বিষয়ে রাশিয়া প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।

মার্কিন স্পেস ফোর্সের দাবি, চীন সামরিক আধুনিকায়ন কৌশলের অংশ হিসেবে মহাকাশ ও ‘কাউন্টারস্পেস’ সক্ষমতা উন্নয়ন ও পরিচালনা করছে। অন্যদিকে রাশিয়া মহাকাশকে যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করে এবং ভবিষ্যৎ সংঘাতে মহাকাশে আধিপত্যকে গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হিসেবে দেখে।

এমন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করার বিষয়টি মহাকাশকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের সামরিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park