1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফের অশান্ত ভারতের মনিপুর, নিহত ৫ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের প্রাণহানি জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত শক্তি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উসকানি দিচ্ছে: রিজভী আ. লীগ ও ধর্ম ব্যবসায়ীরা মিলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে: খায়রুল কবির খোকন শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা সফল হবে না: মাহদী আমিন শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ায় রাজিব দাস আটক পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে: জামায়াত আমির

প্রতারণার মামলা: বাদীকে নানান হুমকি, মাদকাসক্ত বানানোর চেষ্টা!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১০৩ বার পঠিত

প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পদ্মা গ্রুপ অব কোম্পানির চার পরিচালকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নাজিবা নাহিদ খান। গত ১৩ অক্টোবর মতিঝিল থানায় এ মামলা দায়ের হয়। মামলার আসামিরা হলেন- আসামি- ১. রায়হান হোসেন (৩৮), ২.মো. মুরাদ হোসেন সোহাগ (৪০), ৩. আবু সামাউন সরদার (৪৮), ৪. মনিরা মুরাদ (৩০), ৫. নাবিলা নাহিদ খান (৩৪), ৬.পারভীন সুলতানা খান (৬৯), ৭. মুশতাক হোসেন ভুইয়া (৫০), ৮. মোবাশ্বের ভুইয়া (৪৭), ৯. হাসমত আলী খান (৫৫), ১০. আনোয়ারুল ইসলাম জামাল (৫৩), ১১. আব্দুল বাসেত (৪৮), ১২. মো. জামিল আক্তার (৫৮), ১৩.ইসমাইল (৪০), ১৪. জিয়া উদ্দিন (৫০), ১৫. জহিরুল হক বিপ্লব (৫০), ১৬. হাসানুল বান্না লাইলি (৩৭), ১৭. মনির উদ্দিন (৪৮)।

মামলা করার পর থেকেই মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছিলেন আসামিরা। মামলা তুলে না নেওয়ায় তাকে মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন প্রমাণের চেষ্টা চালানো হয়।

এবিষয়ে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ৬ নভেম্বর গুলশান থানায় জিডি করেন নাজিবা নাহিদ। তিনি বলেন, মামলার পরপরই আসামিরা আদালত থেকে জামিন নেন। এরপর মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। রাজি না হওয়ায় ১৪ অক্টোবর অপহরণের হুমকি দেন। ১৮ অক্টোবর গুলশানের বাসা থেকে আমাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। অজ্ঞাত স্থানে আটক রেখে সাদা স্ট্যাম্পে ও কয়েকটি কোম্পানির রেজুলশনে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। পরে বারিধারার প্রত্যয় মেডিকেল ক্লিনিক লিমিটেড মাদক নিরাময় কেন্দ্রে আটক রাখে। সেখানে বেশ কিছু দলিল ও চেক বইতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। পরে সেখান থেকে মুচলেকা দিয়ে আমার মা আমাকে উদ্ধার করেন। কিন্তু তখন নাজিবা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা বা জিডি করা হয়নি। এরপর মূল আসামিরা দেশের বাইরে চলে যান। দেশের বাইরে থেকেই এখন তারা আমাকে এবং মাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

মামলার বিবরণীতে নাজিবা বলেন, আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান খান মোহাম্মদ আমিরের (বাদীর বাবা) সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে।

ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের কথা বলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ফ্রোজেন মানি উঠানোর কথা বলে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২৩ আগস্ট কোম্পানির জমি বিক্রি করে পুরো টাকা আত্মসাৎ করেছে।

তিনি বলেন, আমার বৃদ্ধ বাবা খান মোহাম্মদ আমির বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিক চলাফেরা ও সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম। এই অক্ষমতাকে পুঁজি করে আসামিরা বিভিন্ন কৌশলে তাকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। আত্মসাৎ করা টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।

পদ্মা গ্রুপ অব কোম্পানির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুন্না রায়হান বলেন, অর্থ আত্মসাৎ, মামলা এবং জিডির বিষয়ে আমি বিস্তারিত কিছু জানি না। প্রতিষ্ঠানটির এজিএম (স্টেট) ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার অন্যতম আসামি জিয়া উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বয়োবৃদ্ধ মানুষ। তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। চার মেয়ের মধ্যে তিনজনই বিদেশে থাকেন। একজন দেশে থাকেন। যিনি দেশে থাকেন তিনিও প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক। চেয়ারম্যানের মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে পারিবারিক ঝামেলা রয়েছে। ওই ঝামেলা প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park