1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

প্রতারণার মামলা: বাদীকে নানান হুমকি, মাদকাসক্ত বানানোর চেষ্টা!

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৯৬ বার পঠিত

প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পদ্মা গ্রুপ অব কোম্পানির চার পরিচালকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নাজিবা নাহিদ খান। গত ১৩ অক্টোবর মতিঝিল থানায় এ মামলা দায়ের হয়। মামলার আসামিরা হলেন- আসামি- ১. রায়হান হোসেন (৩৮), ২.মো. মুরাদ হোসেন সোহাগ (৪০), ৩. আবু সামাউন সরদার (৪৮), ৪. মনিরা মুরাদ (৩০), ৫. নাবিলা নাহিদ খান (৩৪), ৬.পারভীন সুলতানা খান (৬৯), ৭. মুশতাক হোসেন ভুইয়া (৫০), ৮. মোবাশ্বের ভুইয়া (৪৭), ৯. হাসমত আলী খান (৫৫), ১০. আনোয়ারুল ইসলাম জামাল (৫৩), ১১. আব্দুল বাসেত (৪৮), ১২. মো. জামিল আক্তার (৫৮), ১৩.ইসমাইল (৪০), ১৪. জিয়া উদ্দিন (৫০), ১৫. জহিরুল হক বিপ্লব (৫০), ১৬. হাসানুল বান্না লাইলি (৩৭), ১৭. মনির উদ্দিন (৪৮)।

মামলা করার পর থেকেই মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছিলেন আসামিরা। মামলা তুলে না নেওয়ায় তাকে মাদকাসক্ত ও মানসিক ভারসাম্যহীন প্রমাণের চেষ্টা চালানো হয়।

এবিষয়ে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে ৬ নভেম্বর গুলশান থানায় জিডি করেন নাজিবা নাহিদ। তিনি বলেন, মামলার পরপরই আসামিরা আদালত থেকে জামিন নেন। এরপর মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। রাজি না হওয়ায় ১৪ অক্টোবর অপহরণের হুমকি দেন। ১৮ অক্টোবর গুলশানের বাসা থেকে আমাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। অজ্ঞাত স্থানে আটক রেখে সাদা স্ট্যাম্পে ও কয়েকটি কোম্পানির রেজুলশনে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। পরে বারিধারার প্রত্যয় মেডিকেল ক্লিনিক লিমিটেড মাদক নিরাময় কেন্দ্রে আটক রাখে। সেখানে বেশ কিছু দলিল ও চেক বইতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। পরে সেখান থেকে মুচলেকা দিয়ে আমার মা আমাকে উদ্ধার করেন। কিন্তু তখন নাজিবা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা বা জিডি করা হয়নি। এরপর মূল আসামিরা দেশের বাইরে চলে যান। দেশের বাইরে থেকেই এখন তারা আমাকে এবং মাকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন।

মামলার বিবরণীতে নাজিবা বলেন, আসামিরা প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান খান মোহাম্মদ আমিরের (বাদীর বাবা) সঙ্গে প্রতারণা করেছে। জালিয়াতির মাধ্যমে কোম্পানির সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়েছে।

ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের কথা বলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ফ্রোজেন মানি উঠানোর কথা বলে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২৩ আগস্ট কোম্পানির জমি বিক্রি করে পুরো টাকা আত্মসাৎ করেছে।

তিনি বলেন, আমার বৃদ্ধ বাবা খান মোহাম্মদ আমির বিভিন্ন দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হওয়ায় স্বাভাবিক চলাফেরা ও সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম। এই অক্ষমতাকে পুঁজি করে আসামিরা বিভিন্ন কৌশলে তাকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। আত্মসাৎ করা টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।

পদ্মা গ্রুপ অব কোম্পানির জনসংযোগ কর্মকর্তা মুন্না রায়হান বলেন, অর্থ আত্মসাৎ, মামলা এবং জিডির বিষয়ে আমি বিস্তারিত কিছু জানি না। প্রতিষ্ঠানটির এজিএম (স্টেট) ও অর্থ আত্মসাৎ মামলার অন্যতম আসামি জিয়া উদ্দিন বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান বয়োবৃদ্ধ মানুষ। তার কোনো ছেলে সন্তান নেই। চার মেয়ের মধ্যে তিনজনই বিদেশে থাকেন। একজন দেশে থাকেন। যিনি দেশে থাকেন তিনিও প্রতিষ্ঠানের একজন পরিচালক। চেয়ারম্যানের মেয়ে, মেয়ের জামাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যে পারিবারিক ঝামেলা রয়েছে। ওই ঝামেলা প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park