1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে ডিমের দাম

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৮৬ বার পঠিত

রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজ ও ডিমের দাম নতুন করে বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমলেও খুচরা বাজারে কমছে না। এখনও অনেক পাড়া-মহল্লায় মুড়িকাটার কেজি ১শ’ টাকা। ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৮০ টাকার আশপাশে। তবে সুযোগ পেলে বাড়তি দাম রাখতেও পিছপা হচ্ছেন না অনেক পাইকার।

শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়। সাদা রঙের ডিমের দাম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা ডজন। গত সপ্তাহের তুলনায় বাদামি ডিমের দাম ডজনে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। সাদা রঙের ডিমের দাম বেড়েছে ডজনে ৫ টাকা। গত সপ্তাহে মানভেদে মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ কেজি ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকায়।

মালিবাগ বাজারের ডিম বিক্রেতা তানভীর হাসান বলেন, চাহিদার তুলনায় বাজারে ডিম কম আসছে। ফলে ডিমের দাম বেড়েছে।

মহাখালী কাঁচাবাজারের পাইকারি ও খুচরা ডিম বিক্রেতা মো. রাজিব মিয়া রাজু বলেন, বাজারে এখন ডিমের সরবরাহ খুব কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে ডিমের দাম ধীরে ধীরে বাড়ছে।

তবে কমেছে মুরগির দাম। ব্রয়লার ও সোনালি উভয় মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম পড়ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে যা ছিল ১৯০ থেকে ২০০। আর গত সপ্তাহে ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা কেজির সোনালি মুরগির দাম এই সপ্তাহে নেমে এসেছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকায়।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংসের দাম চাওয়া হয়েছে ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি। খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। প্রায় অপরিবর্তিত আছে মাছের দাম। মাঝারি আকারের চাষের রুই প্রতি কেজি ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং আকারভেদে তেলাপিয়া ও পাঙাশ ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বাজারে নতুন রসুনের সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কমেছে। আমদানি করা রসুন প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। তবে পুরনো দেশি রসুন কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে দেশি নতুন রসুন কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। প্যাকেটজাত চিনি কেজি ১৪৮ টাকা ও খোলা চিনি কেজি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে রাজধানীর শ্যামবাজার পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আমদানিকারক মো. আব্দুল মাজেদ বলেন, কিছুদিন আগে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে যাওয়ায় কৃষকরা পেঁয়াজ ঠিকমতো তুলছিলেন না। এতে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়। মূলত এ কারণেই দাম বেড়েছে। বাড়তি দামের আশায় কৃষকরা এখন আবার পেঁয়াজ তুলে বাজারজাত করছেন। এতে দাম কিছুটা কমতির দিকে। সাধারণত বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেই দাম কম থাকে।

মো. আব্দুল মাজেদ আরও বলেন, ভারতে এখন পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা। এখন আমদানি করা গেলে দেশের বাজারে ভোক্তারা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে পারত। দেশে যেহেতু চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে, তাই এখন থেকে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দেওয়া উচিত। তাহলে বাজারে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করা যাবে।

বাড্ডার একজন মুরগি বিক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকা ও সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২০০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩১০ টাকায় বিক্রি করা হয়।’

রামপুরা কাঁচাবাজারের জিহাদ ব্রয়লার হাউসের বিক্রেতা মো. বায়েজিদ বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম না বাড়লেও কমেনি। আগের বাড়তি দামেই এখনো বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, বাজারে এখনও সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। এর পরও সব ধরনের শাক-সবজির দাম চড়া। রাজধানীর খুচরা বাজারে ভালো মানের বেগুন ৮০ টাকা কেজির নিচে কেনা যাচ্ছে না। মুলা ও পেঁপে ছাড়া ৫০ টাকার নিচে সবজি নেই।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেগুন মানভেদে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, টমেটো ৬০ টাকা, শিম মানভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতিটি ৫০ টাকা, লম্বা লাউ আকারভেদে প্রতিটি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, করলা ৯০ থেকে ১০০ টাকা ও আলু কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি।

রাজধানীর শাহজাহানপুর বাজারে একজন ক্রেতা বলেন, অন্যান্য বছর শীতের সবজি দরদাম করে কেনা লাগত না। এবার তা করতে হচ্ছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park