গত দুই দিন টানা বৃষ্টিপাতের কারণে রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারী লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যেতে এবং বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার জন্য নির্দেশ জারি করেছেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসন। টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এ নির্দেশনা জারি করেন রাঙ্গামাটির নবাগত জেলা প্রশাসন মো. মোশারফ হোসেন খান।
শুক্রবার থেকে রাঙ্গামাটি শহরের শিমুলতলী, রূপনগর, লোকনাথ মন্দির, ভেদভেদি মুসলিম পাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত লোকজনদের মাইকিং করে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান আজ সকালে রাঙ্গামাটির ঝুঁকিপূর্ণ বেশ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম ফেরদৌস ইসলাম, অকিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মারুফ হাসান সহ প্রশাসনের লোকজন ও স্বেচ্ছাসেবী টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে পাহড়ের পাদদেশে বসবাসরতদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রাঙ্গামাটি শহরের ৯ ওয়ার্ডে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মো মোশারফ হোসেন খান জানান, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে। বিকাল থেকে বৃষ্টিপাত আরো বাড়তে পারে। এই জন্য রাঙ্গামাটি পৌর এলাকা ও উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী লোকজনদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকেও একই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে যাতে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে।
তিনি বলেন, আমি চাই না দুর্যোগের কারণে কারো কোন ক্ষতি হোক। কেউ আহত বা নিহত হোক সেটা আমরা কোন ভাবেই কামনা করি না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিতে বসবাসকারী লোকজনকে বিকাল ৪ টার মধ্যে নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র অথবা রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আশ্রয় কেন্দ্রে সরে যেতে হবে।
ৃতিনি বলেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখানে থাকা খাওয়া সহ সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, এছাড়া আমরা সবাইকে মাইকিং করে সর্তক করছি।
Leave a Reply