বাংলাদেশ-পাকিস্তান পররাষ্ট্র সচিব বৈঠকে ১৯৭১ সালে গণহত্যা নিয়ে বাংলাদেশ ক্ষমা চাওয়ার দাবি করলেও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি এবং ব্রিফিংয়ে এ বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি স্বাধীনতাপূর্ব সম্পদের ক্ষতিপূরণের বিষয়েও কথা
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আরোপিত শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়ে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বাংলাদেশের নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে জানানো হয়েছে। ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) ফরেন সার্ভিস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান
খ্যাতনামা সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন-এ প্রকাশিত বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন মেক্সিকোতে নিযুক্ত
স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশের পাওনা সম্পদ ফেরত ও গণহত্যার জন্য সাধারণ ক্ষমা চাওয়া নিয়ে আলোচনা করতে সম্মত হয়েছে পাকিস্তান। ঢাকা-ইসলামাবাদ বিদ্যমান সম্পর্ক এগিয়ে নিতে দুই দেশই একমত— এমনটা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব জসিম
দেওয়ানি কার্যবিধি বা সিভিল প্রসিডিউর কোডে (সিপিসি) নতুন বিধান যুক্ত করার পাশাপাশি কিছু পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।সিপিসিতে টেলিফোন, খুদেবার্তাসহ যোগাযোগের অন্যান্য আধুনিক পদ্ধতিতে আদালত সমন জারি করতে পারবেন-
বাংলাদেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান। বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ছয় দফা দাবি নিয়ে বৈঠকে বসেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। সেই বৈঠক শেষে অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কারিগরি শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল)
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশি জনগণের দ্বারাই নির্ধারিত হবে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস। তিনি বলেন, দেশটি
পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ। প্রায় ১৫ বছর পর পাকিস্তানের কোনো সচিব ঢাকায় এলেন। বুধবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব ঢাকায় পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাকে
নানা জাতিগোষ্ঠী-ধর্ম-বর্ণের মিলন মেলায় রূপ নেয় এবারের বর্ষবরণের আনন্দ শোভাযাত্রা। নেচে গেয়ে মেতে ওঠেন সকল বয়সের মানুষ। এবারের বর্ষবরণের শোভাযাত্রায় বাঁধভাঙ্গা উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। শোভাযাত্রার নামকরণে পরিবর্তন এলেও নিজেদের