আকাশচুম্বী দামের সাথে পেরে উঠছেন না স্বল্প আয়ের মানুষ। ছুটির দিনে বাজারে গিয়ে একটু ভালো-মন্দ কেনার সাধ ধাকলেও, সাধ্যে কুলোয়না অনেকেরই। ইলিশের সরবরাহ ভালো থাকলেও অতিরিক্ত দামের কাছে তারা অসহায়। আরেক দফা বেড়েছে মসলাজাতীয় পণ্য আর ডালের দাম। সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও, দাম এখনও নাগালের বাইরে, বলছেন ক্রেতারা।
শাহেদের মতো অনেক ক্রেতারই বোবা কান্নার সাক্ষী রাজধানীর বাজারগুলো। যে ইলিশের জন্য শাহেদদের আক্ষেপ, বাজার ঘুরে দেখা যায় সেই ইলিশের সরবরাহ বেশ ভালো। তবে চাল-ডালের হিসাব মেলাতেই হিমশিম খাওয়া মধ্যবিত্তের কী আর সাধ্য আছে হাজার টাকার ইলিশ কেনার?
মুদি বাজারে আরেক দফা বেড়েছে মসলার দাম। ৫০০ টাকা বেড়ে এক কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ২১০০ টাকায়। কেজিতে ১০০ টাকা বেড়েছে হলুদের দাম। সবধরনের ডাল কিনতে কেজিতে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
সবজির বাজারে থরে থরে সাজানো হরেক সবজি। বিক্রেতাদের দাবি, সব ধরনের সবজির দাম কমেছে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা করে। তবে ক্রেতারা বলছেন, ঠিক উল্টো কথা। বেশিরভাগ সবজি কিনতেই গুনতে হচ্চে ৫০ থেকে ৬০ টকা ।
আগের বাড়তি দামেই ব্রয়লার ১৭০ টাকা কেজি, সোনালী ৩২০ টাকা কেজি এবং দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা কেজিতে।
Leave a Reply