ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় লণ্ডভণ্ড লিবিয়ার দেরনা শহরে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজারে পৌঁছানোর আশঙ্কা করছেন শহরের মেয়র। তুরস্ক, মিশরসহ বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া উদ্ধারকর্মীদের সহায়তা গতিশীল হয়েছে তল্লাশি। ছয় হাজার পার হয়ে বাড়ছে লাশের সারি। খোঁজ মিলছে না অন্তত ১০ হাজার মানুষের।
ঘূর্ণিঝড় ড্যানিয়েলের প্রভাবে নজিবিহীন বন্যার তিনদিন পরও লণ্ডভণ্ড দেরনার ধসে পড়া ভবন ও রাস্তাঘাট-অলিগলিতে মিলছে হতভাগ্যদের লাশ। জীবিত অথবা লাশ উদ্ধারের অভিযানে তুরস্ক, মিশর, কাতার, তিউনিশিয়া, আরব আমিরাতের উদ্ধারকর্মীরা যোগ দেয়ায় গতিশীল হয়েছে তল্লাশি তৎপরতা।
বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুই হাজারের বেশি লাশের গণকবর দেয়া হয়েছে। এগারোশ’ জনের পরিচয় অজ্ঞাত। এপর্যন্ত উদ্ধার করা লাশের মধ্যে বিদেশির সংখ্যা চারশতাধিক। বেশিরভাগই মিশর, সুদান ও তিউনিশিয়ার নাগরিক। দেরনার মেয়র আব্দুলমিনাম আল-ঘাইথি জানান, লাশের সংখ্যা ১৮ থেকে ২০ হাজারে পৌঁছাতে পারে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুত হয়েছে অন্তত ৩০ হাজার নগরবাসী।
লিবিয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ত্রাণ, উদ্ধারকর্মী, ডাক্তার ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে তুরস্ক, জার্মানি, মিশরসহ অনেক দেশ। তবে, ত্রাণ সরবরাহে বাধাদানের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তুলেছে ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় ঐক্যমতের সরকার-এনজিইউ এবং পূর্বাঞ্চলভিত্তিক জাতীয় স্থিতিশীলতা সরকার-জিএনএস।
Leave a Reply