সিরিয়ার হোমস প্রদেশে মিলিটারি একাডেমিতে ড্রোন হামলায় সেনা কর্মকর্তা, ক্যাডেট ও নারী-শিশুসহ ১১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত প্রায় ২৫০ জন। হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও কাছাকাছি সময়ে সিরিয়ায় সশস্ত্র কুর্দি অবস্থানে ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে তুরস্ক।
সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে সামরিকবাহিনীর সদস্য ছাড়াও বেসামরিক মানুষ রয়েছেন। অনেকের অবস্থা গুরুতর। সরাসরি কাউকে দায়ী না করলেও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সন্দেহ করছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) ক্যাডেটদের সমাবর্তন শেষ হওয়ার মিনিট খানেকের মধ্যেই হামলা হয় সেখানে। এই ঘটনার কিছুক্ষণ আগে সংবাদ সম্মেলন করে সিরিয়ায় ড্রোন হামলার কথা জানায় তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা।
জানানো হয়, হামলা হয়েছে মূলত কূর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী-পিকেকের সম্ভাব্য অবস্থান লক্ষ্য করে। গত সপ্তাহে তুরস্কের আঙ্কারায় আত্মঘাতী হামলার পর ইরাক ও সিরিয়ায় কুর্দি শীর্ষ নেতা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা শুরু করে তুরস্ক।
এদিকে, এই হামলার দিনেই সিরিয়ায় তুরস্কের ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ-পেন্টাগন। মার্কিন সেনা অবস্থানের কাছাকাছি ড্রোন ভূপাতিতের ঘটনা নিয়ে মার্কিন ও তুরস্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মধ্যে ফোনালাপও হয়েছে।
Leave a Reply