আরেক দফা চড়েছে চালের দাম। মোটা-চিকন সব ধরনের চাল কেজিতে বেড়েছে ৪ থেকে ২ টাকা করে। শিগগিরই দাম কমার সম্ভাবনা দেখছেন না বিক্রেতারা। বেড়েছে ডাল, ভোজ্যতেল, আটা, মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দাম। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে দ্বিগুন দামে বিক্রি হচ্ছে আলু ও পেঁয়াজ। বাড়তি দামের উপর কিছুটা কমেছে শীতকালীন সবজিতে।
অস্থিরতা কমছেই না চালের বাজারে। দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকায় গেল দুই সপ্তাহ ধরেই বাড়ছে চালের দাম। সবচেয়ে বেশি বেড়ে মোটা চালের দর। স্বর্ণা ও আটাশ কেজিতে তিন থেকে চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা। মিনিকেট কেজিতে দুই টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৪ টাকা। আগের দামেই নাজিরাশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭২ টাকা কেজি। সহসাই দাম কমার সম্ভাবনা দেখছেন না বিক্রেতারা।
মাছের বাজারেও নেই স্বস্তি। বিক্রেতারা বলছেন সরবরাহ কমায় বেশিরভাগ মাছের দাম বেড়েছে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা বলছেন গেল সপ্তাহ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেশিতে কিনতে হচ্ছে সবধরনের মাছ। ইলিশের দাম বাড়তি থাকলেও সরবরাহ বাড়ার সাথে সাথে দাম কমার কথা বলছেন বিক্রেতারা।
মুদি বাজারে বেড়েছে আটা, তেল ও সবধরনের ডালের দাম। কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেশি গুনতে হবে এসব পণ্য কিনতে। অসহায় ভোক্তারা বলছেন কোনকিছুতেই পেরে উঠছেন না তারা।
শীতকালীন সবজির বাজারে আসতে শুরু করেছে। ক্রেতাদের দাবি কমতে শুরু করেছে এসব পণ্যের দাম। তবে মৌসুম অনুযায়ী দাম নাগালের মধ্যে না থাকায় হতাশ ক্রেতারা।
৫ থেকে ১০ টাকা কমে ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৮৫ এবং সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা কেজি।
Leave a Reply