1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

লাইসেন্সধারী বন্দুকই দিয়ে এলাকায় ভয়ের রাজত্ব তৈরি করছে লিটন

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৩১১ বার পঠিত

বরগুনার জেলার বামনা উপজেলার বড় তালেশ্বর গ্রামের কামরুজ্জামান লিটন ওরফে বেল্টু লিটনের একটি লাইসেন্সধারী বন্দুক রয়েছে। সেই বন্দুক দিয়ে এলাকায় মানুষকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। গলায় গুলি ঝুলিয়ে প্রায়ই দিনে ও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। যা আইন অনুযায়ী অন্যায়। এই অস্ত্র দিয়ে সরকার পক্ষের লোকদেরও হুমকি ধমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এলাকার সাধারণ মানুষ, নিরীহ মুরুব্বিরা তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেল্টু লিটন বলেন, লাইসেন্সধারী বন্দুকই আমার শক্তি। রাতে এটি চলার কারণে এলাকায় ডাকাত আসে না।

অস্ত্রের অপব্যবহার করায় বামনা উপজেলা থানা পুলিশ বন্দুকটি নিয়ে আটকে রাখে। অনেকদিন পরে পুলিশ প্রশাসনকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে আবারো বন্দুকটি নিজের কাছে নিয়ে আসে।

তার বংশের কয়েকজন ও স্থানীয়রা ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, একসময় বেল্টু লিটন ডাকাতিতে সহযোগিতা করতো। রাস্তাঘাটে মানুষজনকে মারধর করতো। এলাকার গণ্যমান্যরাও তাকে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না। এখন এনজিওর আড়ালে নানা ধরণের অনিয়ম করে যাচ্ছে সে।

বেল্টু লিটনের বাড়ি বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সবুজ জানান, কামরুজ্জামান লিটন ওরফে বেল্টু লিটনের একটি লাইসেন্সধারী বন্দুক রয়েছে। আমি এককথায় বলবো সে মানুষ হিসেবে মোটেও ভালো না। তার বিরুদ্ধে নানা ধরণের অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় নির্বাচন এলেই সে নির্বাচন করে।

এসআই দেবাশীষ হাওলাদার জানান, কামরুজ্জামান লিটনের ওরফে বেল্টু লিটনের বন্দুকের লাইসেন্স নম্বর ১২৮। তিনি ২০২২ সালে নিয়ে গেছেন এরপর আর জমা দেননি। ২২ সালে কেন থানায় জমা রাখা হয়েছিলো তা আমার জানা নেই। বন্দুকের অপব্যবহার করলে জেলা প্রশাসক চাইলে লাইসেন্স বাতিল করতে পারেন।

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাইনুল ইসলাম জানান, আমাদের কাছে তার বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি। হয়তো ভয়তে কেউ কথা বলছে না। তার বিষয়ে আমরা খোঁজ নিবো।

শিল্পী না হয়েও প্রতারণার আশ্রয়ে নিচ্ছেন শিল্পী ভাতা

শিল্পী না হয়েও প্রতারণা করে মা-স্ত্রীসহ পরিবারের ৪জন নিচ্ছেন সরকারি অনুদান কামরুজ্জামান লিটন ওরফে বেল্টু লিটন।

জানাগেছে, সচ্ছল শিল্পীদের বাৎসরিক অনুদান প্রদানের জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তালিকা প্রেরণ করে বরগুনা জেলা প্রশাসন। সেই তালিকায় বেশ কয়েকজন ভুয়া শিল্পী সন্দেহ হওয়ায় ওই মন্ত্রণালয় থেকে ৮ জনের বিষয়ে পুনরায় যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করতে জেলা প্রশাসনকে চিঠি পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৮ জনকেই সঠিক শিল্পী হিসেবে প্রতিবেদন পাঠানো হয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে। তবে ৮ জনের মধ্যে ৪ জন প্রকৃত শিল্পী হলেও বাকি ৪ জনের ব্যাপারে সাংস্কৃতিক কর্মীদের যথেষ্ট অভিযোগ রয়েছে।

এদের মধ্যে কামরুজ্জামান লিটন মোল্লা ওরফে বেল্টু লিটন ও তার স্ত্রী ফিরোজা খানমকে শিল্পী হিসেবে প্রতিবেদন দিয়ে বামনার ইউএনও অন্তরা হালদার স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠানো হয়। বাবা আ. লতিফ মোল্লার নামও ছিল অনুদানের তালিকায়। কিন্তু কয়েক দিন আগে লতিফ মোল্লা মারা যাওয়ায় প্রতিবেদনে তার নাম মৃত উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে কামরুজ্জামান লিটনের মা ফরিদা বেগম ইতিমধ্যে অনুদান পেয়েছেন। অথচ তারা কেউই শিল্পী না।

বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান লিটন বলেন, ১৯৮৫-৯০ সালের দিকে স্কুল-কলেজে থাকতে নাটকের সঙ্গে জড়িত ছিলাম। তারপর থেকে আর কিছু করিনি। আমি তো অবসরপ্রাপ্ত শিল্পী। তৃণমূল মানুষের সংগঠন- তৃমাস নামে তার একটি এনজিও রয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ এনে তিনি নিজেই আত্মসাত করেন। কিছু দিন পূর্বে আইসিটি বিভাগ থেকে আটটি কম্পিউটার পেয়েছেন বলে তিনি জানান।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন, কামরুজ্জামান লিটন এলাকায় এ ধরনের কোনো (সাংস্কৃতিক) কার্যক্রম করেননি। তবে মন্ত্রণালয়ে তার যোগাযোগ থাকায় বিভিন্ন সংগঠনের নামে অনুদান আনার খবর পাওয়া যায়। তার কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের বহু সিল রয়েছে। যা দিয়ে সে প্রতারণা করে অনুদান গ্রহণ করেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ব্যাংকে ১৫ টির বেশি এ্যাকাউন্ন রয়েছে।

সুবিধা আদায়ে জাতীয় নির্বাচন এলেই প্রার্থী হন

এদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ রাজনীতির আলোচিত চরিত্র। জাতীয় পার্টি ছেড়ে নিজে দল গঠন করে এখন বিএনপির সাথে সুর মিলিয়ে আন্দোলন করছেন। চাচ্ছেন নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হলে তাতে তার দল দেশের বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিবে। ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীদের ছবিও দেখা গেছে।

বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে কামরুজ্জামান লিটন ওরফে বেল্টু লিটন নামে একজন এনডিএম থেকে নির্বাচন করবেন বলে প্রচারণা চালাচ্ছেন। এনডিএম সরকার বিরোধী জোট বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগীর বিভিন্ন এলাকার আড্ডায় আওয়ামী লীগ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও ন্যাক্কারজনক কুটুক্তি করতে শোনা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেন, এই নামের কাউকে আমি চিনি না। আমার দলের সঙ্গে কামরুজ্জামান লিটন ওরফে বেল্টু লিটন বলতে কেউ নাই। আমরা নির্বাচনেই যাব না, সেখানে কিসের পোস্টার? তারমতো দুর্নীতিবাজ প্রতারকের জায়গা এনডিমে হতে পারে না।

এনডিএমে সুযোগ না পেয়ে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার দল তৃণমূল বিএনপি থেকে মনোনয়ন নেবেন বলে এলাকায় ঘোষণা দিয়েছেন লিটন। এজন্য দলটির মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকারের চেম্বারেও গিয়েছিলেন। কিন্ত তার দেখা না পেয়ে এলাকায় চলে যান।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park