১৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যার পথ মাড়িয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সমঝোতায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা। তবে, এতে পাইকারি হারে হত্যার নৃশংস মিশন একেবারে থামার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। বুধবার (২২ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সরকার।
মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সমঝোতায় সমর্থনের যুক্তি তুলে ধরেন। এতে সমর্থন না দিতে অনড় থাকার বার্তা দেন নিরাপত্তা মন্ত্রী ও কট্টর জাতীয়তাবাদী নেতা বেন গাভির এবং অর্থমন্ত্রী ও জায়োনিজম পার্টির প্রধান বেজালেল স্মটরিক। মধ্যস্থতাকারী কাতারের পক্ষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যে ইসরায়েলের হাইকোর্টে সমঝোতার বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নিতে পারবেন সংক্ষুব্ধরা। আর কোন বাধার মুখে না পড়লে কয়েক ধাপের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কার্যকর হবে চরম মূল্যের বিনিময়ে প্রাপ্ত বহু প্রত্যাশিত যুদ্ধবিরতি।
তবে, জিম্মিমুক্তির সমঝোতা হলেও যুদ্ধ একেবারে না থামানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, যুদ্ধাবস্থায় আছে ইসরায়েল; এটি অব্যাহত থাকবে। যুদ্ধবিরতি চলাকালে অন্তত ছয় ঘণ্টা গাজায় নজরদারি ড্রোন না ওড়াতে হামাসের শর্ত মেনেছে ইসরায়েল। স্বাধীনতাকামী অপর সংগঠন-ইসলামিক জিহাদ বলেছে, হামাসের সাথে সমন্ময় করে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে তারা।
সমঝোতার শর্ত অনুযায়ী হামাসের হাতে থাকা ৫০ জিম্মিকে মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগার থেকে দেড়শ’ ফিলিস্তিনিকে ছাড়া হবে। দুই পক্ষই শুধু নারী ও শিশুদের মুক্তি দেবে। এই তালিকায় নেই কোন বিদেশি। প্রতিদিন ১০ জন জিম্মিমুক্তির বিনিময়ে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ একদিন করে বাড়বে। তবে, এই প্রক্রিয়া চলাকালে উত্তর গাজায় বাড়িঘরে ফিরতে পারবেন না স্থানীয়রা। সূত্র: আল জাজিরা
Leave a Reply