ভরা মৌসুম সত্ত্বেও চালের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। ফল মিলছে না একের পর এক অভিযানের। এদিকে, সরবরাহের ঘাটতি না থাকলেও আরও এক দফা বেড়েছে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম। উত্তাপ মাংসের বাজারেও। গরুর মাংসের পাশাপাশি দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগিরও।
এবারে আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। সরকারি গুদামেও চালের মজুদ পর্যাপ্ত। নতুন চালে সয়লাব বাজার। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মতেই চালের দাম বাড়া অযৌক্তিক। মাঝে মাঝে চলছে সরকারি অভিযানও। কিন্তু এসবের কোন প্রভাব নেই বাজারে।
চলতি মাসের শুরুর দিকে সব ধরনের চালে ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়েছিলো। দাম নতুন করে না বাড়লেও এখনও দাম কমেনি। বিক্রেতাদের অভিযোগ- মিল মালিক ও করপোরেট সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে। মিনিকেট মানভেদে ৬৭ থেকে ৭৬ টাকা। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় । আর স্বর্ণা মোটা জাতের চাল আগে ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন কেজিতে ৫৪ টাকা।
একই অবস্থা পেঁয়াজের বাজারেও। নতুন পেঁয়াজে বাজার ভর্তি। তবুও আরও এক দফা বেড়েছে দাম। গেলো সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে তা ৯০ টাকা। রসুনের দামও কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত। নাখোশ সাধারণ মানুষ।
তবে গেলো সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে সবজির দাম। প্রতিটি সবজি কেজিতে দশ থেকে পনের টাকা পর্যন্ত কমেছে। যদিও একে মৌসুম হিসেবে যৌক্তিক দাম মনে করছেন না ক্রেতারা।
সব ধরনের মাংসের দাম আবারো উর্ধমুখী। নির্বাচনের আগে গরুর মাংস নিয়ে সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি পেতে শুরু করলেও আবারও বাড়ছে দাম। ৭০০ টাকার নিচে কোথাও মিলছে না গরু। আর শীতের অজুহাতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা।
একইভাবে মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। সরবরাহ ঘাটতি না থাকলেও দাম বাড়ানোর অজুহাতের অন্ত নেই বিক্রেতাদের কাছে।
Leave a Reply