ভারত মহাসাগর বলয়ের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক অব্যাহত রেখে বাণিজ্য পথ শান্তিপূর্ণ, উন্মুক্ত ও সচল রাখার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের বিশাল সমুদ্র সীমা ব্যবহার করে আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটানোর পাশাপাশি এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের আহবানও জানান প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মেরিটাইম জোনস অ্যাক্টের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমুদ্রসীমা আইনের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নৌবাহিনী আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, বিশাল সমুদ্র সীমায় বাংলাদেশের কোনো অধিকার ছিল না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭২ সালে চুক্তি করে সমুদ্র সীমার বিষয়ে মীমাংসা করে দিয়েছিলেন। দেশের সমুদ্রসীমায় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা, বহির্বিশ্বের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপন এবং সমূদ্রভিত্তিক অর্থনীতির কথা মাথায় রেখে ১৯৭৪ সালে টেরিটোরিয়াল ওয়াটার্স এন্ড মেরিটাইমস জোনস এক্ট বা আঞ্চলিক পানি এবং সমূদ্রসীমা আইন প্রণয়ন করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতিসংঘের আগে বঙ্গবন্ধু এই আইন করলেও, ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো দেশের অধিকার আদায়ে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরীতা নয়-দেশের এ পররাষ্ট্রনীতি নীতিতে সমুদ্র সীমানাতেও কাজ করছে সরকার।
সরকার প্রধান বলেন, দেশের বিশাল সমুদ্র সীমা ব্যবহার করে আর্থসামাজিক উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত করা সম্ভব। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বিদেশি বিনিয়োগ কারীদেরও আহবান জাননা প্রধানমন্ত্রী।
নৌ বাহিনীর উন্নয়নে ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সমুদ্রসীমায় প্রাণীজ ও খনিজ সম্পদ আহরণ কর্মকাণ্ডের নিরাপত্তা বিধানে নৌবাহিনীর গুরুত্ব তুলে ধরেন। এক চল্লিশ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গঠনের প্রত্যয় পুনব্যাক্ত করেন শেখ হাসিনা।
Leave a Reply