দেশজুড়ে গত মাসে ৩৯২ সড়ক দুর্ঘটনায় ৪২৬ জন প্রাণ হারিয়েছে হয়েছেন। সেপ্টেম্বরে ১৬৪ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৯ জন। আটটি নৌ-দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হয়েছেন, চারজন আহত হয়েছেন। ১৭ রেল দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং নয়জন আহত হয়েছেন। সবমিলিয়ে তিন পথে দুর্ঘটনায় ৪৫০ জন নিহত হয়েছেন। সেপ্টেম্বরজুড়ে এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮১৩ জন।
সোমবার (৭ অক্টোবর) সকালে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৬২টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৪৪টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪৭টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৪টি শহরের সড়কে এবং ৫টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৬৩২টি। এরমধ্যে বাস ৯৮, ট্রাক ১০৬, কাভার্ডভ্যান ১৮, পিকআপ ২১, ট্রাক্টর ১১, ট্রলি ৪, লরি ১০, ড্রাম ট্রাক ৭, তেলবাহী লরি ২, রোড রোলার ১, মাইক্রোবাস ১৬, প্রাইভেটকার ১৫, অ্যাম্বুলেন্স ৫, পাজেরো ২, মোটরসাইকেল ১৭৩, থ্রি-হুইলার ৯৬ (ইজিবাইক- সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ১৮ (নসিমন- ভটভটি- আলমসাধু-চান্দের গাড়ি-মাহিন্দ্র-হ্যালোবাইক, বাইসাইকেল-রিকশা-রিকশাভ্যান ১৩ এবং অজ্ঞাত যানবাহন ১৬টি।
দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৭৯ জন, বাসের যাত্রী ২৫ জন, ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী ২২ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ২৪ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৬৩ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-আলমসাধু) ৬ জন এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা আরোহী ১০ জন নিহত হয়েছেন।
Leave a Reply