পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও চালের বাজারে আগুন। কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ৬ টাকা, সপ্তাহ ব্যবধানে বস্তা প্রতি বেড়েছে ২০০ থেকে আড়াইশো টাকা করে। ভোজ্যতেলে শুল্ক কমলেও দাম লিটার প্রতি বেড়েছে ১১ টাকা। শীতকালীন শাকসবজির বাজার স্বাভাবিক থাকলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের মুরগি। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের মনিটরিং বাড়ানোর তাগিদ ব্যবসায়ীদের।
মোহম্মদপুরের কৃষি মার্কেট। রাজধানীর চালের বাজারের সবচেয়ে বড় সরবরাহ থাকে এখানে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করে উত্তপ্ত চালের বাজার। মিনিকেট চালে কেজি প্রতি বেড়েছে ৬ টাকা আর স্বর্ণা, গুটি, আটাশ জাতের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা করে।
চালের দাম বাড়ার কোন যৌক্তিকতা নেই দাবি করে ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিন্ডিকেটের কারণেই বাজারের উর্ধ্বগতি। সরকারের মনিটরিং বাড়ানোর তাগিদ তাদের।
অস্থিরতা তেলের দামেও। সপ্তাহ ব্যবধানে ভোজ্যতেল কেজি প্রতি বেড়েছে ১০ থেকে ১১ টাকা। পাঁচ লিটারের বোতলে ৩২ টাকা বেড়েছে। বড় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে দুয়েকটি ছাড়া অন্যদের তেলের সরবরাহ নেই বাজারে।
ছুটির দিনে মৌসুমী শাকসবজির ভরপুর সরবরাহ। দামও নাগালের মধ্যে। কিন্তু পরিবাররের সহজলভ্য আমিষের চাহিদা পূরণে মুরগির দাম বেশ বেড়েছ। ব্রয়লারে কেজি প্রতি বেড়েছে ২০ টাকা, আর সোনালী মুরগিতে ৩০ টাকা।
তবে কমেছে ডিমের দাম। ৫ টাকা কমে ডজন প্রতি ব্রিক্রি হচ্ছে ১৩০/১৩৫ টাকায়।
Leave a Reply