সরকারিভাবে এ বছর ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমারসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ৮ থেকে ৯ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করবে বলে জানিয়েছেন খাদ্য মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে মিয়ানমার থেকে প্রথম চালানে আসা ২২ হাজার মেট্রিক টন চাল খালাস কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এ কথা জানান খাদ্য উপদেষ্টা।
খাদ্য উপদেষ্টা জানান, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ আরও চাল আমদানি করতে আগ্রহী। ব্যাপকভাবে চাল আমদানি শুরু হলে বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া রমজান মাসে সারাদেশে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর আওতায় দরিদ্র ৫০ লাখ মানুষকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। রমজানে চাল, গমের কোনো সংকট হবেনা বলেও আশ্বস্ত করেন খাদ্য উপদেষ্টা।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ‘এমভি গোল্ডেন স্টার’ নামের জাহাজে করে মিয়ানমার থেকে ২২ হাজার মেট্রিক টন চাল চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। কায়িক পরীক্ষা শেষে মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে এসব চাল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।
মিয়ানমার থেকে মোট ১ লাখ ৫ হাজার টন চাল আমদানি করছে সরকার। উন্মুক্ত দরপত্রের চুক্তির আওতায় মিয়ানমার থেকে কেনা চাল ধাপে ধাপে ফেব্রুয়ারির মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে।এর আগে গত ১১ জানুয়ারি উন্মুক্ত দরপত্র চুক্তির আওতায় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাডা বন্দর থেকে ২৬ হাজার ৯৩৫ মেট্রিক টন চাল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল এমভি এসডিআর ইউনিভার্স। আগামী দুই একদিনের মধ্যে মিয়ানমার থেকে আরও আড়াই হাজার টন চাল নিয়ে আরেকটি জাহাজ আসবে।
Leave a Reply