সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ করার কথা বললেও তা থমকে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আঞ্চলিক সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ‘জাতীয় ঐক্য ও বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ নামে বাংলাদেশে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। গণহত্যার বিচারে এই সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে।
ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দোসররাও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, শেখ হাসিনার দোসররা উপদেষ্টা পরিষদেও আছে, প্রশাসনেও আছে। এখনো প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসর। এদের বহাল রেখে কীভাবে সরকার এগোবে বোধগম্য নয়। সবজায়গা থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর পরিষ্কার না করে সরকার সফল হতে পারবে না।
জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ও ছাত্ররা একটি দলিল তৈরি করেছে। দুইটি সমন্বয় করে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া যেতে পারে। তাড়াহুড়ো করা যাবে না।
সংস্কার নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, নির্বাচনমুখী সংস্কার করুন। নির্বাচনের জন্য বেশি সময়ক্ষেপণের জন্য কৌশল অবলম্বন করলে জাতি মেনে নেবে না। দেরি করলে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরুন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
মিডিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র সেখানে বেশি শক্তিশালী যেখানে মিডিয়ার স্বাধীনতা বেশি। জাতীয় ঐক্যমত বজায় রাখতে হবে। জনআকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের বিষয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন সালাহউদ্দিন
সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ করার কথা বললেও তা থমকে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আঞ্চলিক সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ‘জাতীয় ঐক্য ও বর্তমান বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
বিএনপির এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ নামে বাংলাদেশে কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। গণহত্যার বিচারে এই সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে।
ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দোসররাও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন বলেন, শেখ হাসিনার দোসররা উপদেষ্টা পরিষদেও আছে, প্রশাসনেও আছে। এখনো প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফ্যাসিবাদের দোসর। এদের বহাল রেখে কীভাবে সরকার এগোবে বোধগম্য নয়। সবজায়গা থেকে ফ্যাসিবাদের দোসর পরিষ্কার না করে সরকার সফল হতে পারবে না।
জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ও ছাত্ররা একটি দলিল তৈরি করেছে। দুইটি সমন্বয় করে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া যেতে পারে। তাড়াহুড়ো করা যাবে না।
সংস্কার নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, নির্বাচনমুখী সংস্কার করুন। নির্বাচনের জন্য বেশি সময়ক্ষেপণের জন্য কৌশল অবলম্বন করলে জাতি মেনে নেবে না। দেরি করলে তার যৌক্তিকতা তুলে ধরুন। সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐক্যমতের ভিত্তিতে নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করতে হবে।
মিডিয়ার স্বাধীনতা নিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র সেখানে বেশি শক্তিশালী যেখানে মিডিয়ার স্বাধীনতা বেশি। জাতীয় ঐক্যমত বজায় রাখতে হবে। জনআকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
Leave a Reply