ওয়াকফ আইন সংশোধনের পর বিক্ষোভ-সংঘর্ষ-প্রাণহানির পর থমথমে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে অভিযানে নেমেছে যৌথবাহিনী। বিজেপির বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানির অপচেষ্টার অভিযোগ তুলেছে পুলিশ।
শুক্র ও শনিবারের সহিংসতায় ৩ জনের মৃত্যুর পর চলছে চোরাগুপ্তা হামলা। গুলিবিদ্ধ বেশ কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি জারি আছে আধাসামরিক বাহিনীর টহল আর সতর্ক নজরদারি। অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মুর্শিদাবাদের নতুন কয়েকটি এলাকা ছাড়াও মালদহ আর বীরভূমের কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট সেবা স্থগিত রাখা হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ১০টার পর স্বাভাবিক হতে পারে ইন্টারনেট সেবা। সহিংসতায় সরাসরি জড়িত আর ইন্ধনদাতাদের ধরতে অভিযানে নেমেছে যৌথ বাহিনী। পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করার অপচেষ্টায় নেমেছে পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকা নরেন্দ্র মোদির বিজেপি। হিন্দু-মুসলিম দাঙা বাধিয়ে ফায়দা নিতে বিজেপির ভেরিফাইড পেইজ থেকে ভুয়া ছবি ছড়ানো অভিযোগ তুলেছে রাজ্য পুলিশ। দাবি করা হচ্ছে, ছবিগুলো নাগরিক সংশোধনী আইনের সময় উত্তর প্রদেশ, আসাম ও কর্নাটকে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের।
এদিকে, উত্তর প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, মুর্শিদাবাদের মতো বাংলাদেশে দলিত হিন্দুরা নির্যাতিত হলেও কোনো নিন্দা জানায়নি কংগ্রেস, তৃণমূল ও সমাজবাদী পার্টি।
Leave a Reply