জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ সভাপতি ড. আলী রিয়াজ বলেছেন, মানুষ যেন কথা বলতে পারে, গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয়, বিচার বিভাগ যেন স্বাধীনভাবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারে, সে লক্ষ্যে কাজ করছে কমিশন।
সোমবার (২১ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে বৈঠকে বসে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। শুরুতেই কমিশনের সহ-সভাপতি ড. আলী রিয়াজ বলেন, বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ১১টি সংস্কার কমিশন নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
কমিশনগুলোর প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ এরইমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ১১টি সংস্কার কমিশনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ফ্যাসিবাদ যাতে মাথাচাড়া না দেয়, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়; কাউকে অতীতের খারাপ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যাতে আর না যেতে হয়।
পরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা ইউসুফ আশরাফী পাকিস্তান আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, ‘৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ‘৭১ এর স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, ২০১৩ সালে মতিঝিল শাপলা চত্বরের যারা শহীদ হন, ২০২১ সালে মোদি বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ এর জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
Leave a Reply