সিলেটে যৌথবাহিনীর সমন্বিত অভিযানে প্রায় ৫২ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকাল থেকে ক্রাশার মিলেও পাথর উদ্ধার কার্যক্রম চলছে। বুধবার রাত ১০টার পর রাস্তায় থেকে পাথরবোঝাই ৭৮ টি ট্রাক থেকে আনুমানিক ৪০ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। এর আগে, ধলাই নদীর আশপাশে স্তুপ করে রাখা ১২ হাজার ঘনফুট পাথর নদীতে ফেলা হয়।
জেলা প্রশাসন জানায়, উদ্ধার হওয়া পাথরগুলো ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর এলাকায় আগের মতোই বিছিয়ে দেয়া হবে। পাথর লুটের ঘটনায় বুধবার মধ্যরাতে কোম্পানিগঞ্জের পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলমগীর আলমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, এক বছরে সিলেট থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট পাথর লুট হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য দুই শত কোটি টাকার বেশি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র সাদাপাথর এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচারে জড়িত। সাম্প্রতিক সময়ে এই লুটপাট এত বেড়েছে যে নদীর তীরবর্তী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবৈধভাবে উত্তোলিত সব পাথর উদ্ধার এবং জড়িতদের আইনের আওতায় না আনা পর্যন্ত অভিযান চলবে।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, ‘প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পরিবেশ বাঁচাতে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন, মজুত বা পাচারে জড়িতদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
Leave a Reply