নারকেল বা ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। গ্রীষ্ম হোক বা শীত, প্রতিটি ঋতুতে সকালে খালি পেটে বা দিনের যেকোনো সময় নারকেল বা ডাবের পানি খাওয়া স্বাস্থ্যকর।
এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। এতে পাওয়া ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, আয়রন, ক্যালশিয়াম, কপার, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়মের মতো পুষ্টি উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তার সঙ্গে এটি খেলে ত্বক ও চুলের জন্যও উপকারী বলে মনে করা হয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, এত স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও নারকেল বা ডাবের পানি খাওয়া কিছু মানুষের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
কিছু স্বাস্থ্য সমস্যায় নারকেলের পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। আসুন জেনে নিই কাদের নারকেল বা ডাবের পানি খাওয়া উচিত নয়।
কিডনি রোগী
যাদের কিডনির সমস্যা আছে তাদের নারকেল পানি পান থেকে বিরত থাকা উচিত। আসলে নারকেল পানিতে পটাশিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে, যা কিডনি ফিল্টার করতে পারে না। তাই কিডনির সমস্যায় ভুগছেন এমন লোকদের নারকেলের পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
ডায়াবেটিক রোগী
যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে তাদেরও নারকেল পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।
আসলে নারকেল পানিতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি এবং এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণও বেশি থাকে। এমন পরিস্থিতিতে এর সেবন রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের এটি খাওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অ্যালার্জির সমস্যায়
কিছু মানুষের নারকেল পানি থেকে অ্যালার্জির সমস্যা হতে পারে। এর সেবন ত্বকে চুলকানি ও লালচে ভাবের কারণ হতে পারে।
তাই যাদের নারকেল পানি খাওয়ার পর ফোলাভাব বা এই ধরনের কোনো সমস্যা হয় তাদের এটি সেবন করা উচিত নয়।
হাই প্রেসার
যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে তাদেরও নারকেল পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। এতে পাওয়া পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সঙ্গে মিশে ক্ষতি করতে পারে।
ঠাণ্ডা-কাশি
নারকেল বা ডাবের পানি শরীর ঠাণ্ডা করে। এমন পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা-কাশি হলে নারকেল বা ডাবের পানি সেবন সীমিত পরিমাণে করুন বা না করুন।
এই প্রতিবেদনটিতে সচেতনতার জন্য কেবল সাধারণ তথ্যগুলোই দেওয়া হয়েছে। তাই খাওয়ার পূর্বে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর সেবন করুন।
সূত্র : নিউজ ১৮
Leave a Reply