1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

যাকাতের টাকা মসজিদে দেওয়া যাবে কি?

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১০৪ বার পঠিত

ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভ হচ্ছে যাকাত। এটি ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক এবং সম্পদশালী মুসলমান পুরুষ ও নারীর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ গরিবদের মধ্যে যাকাত বিতরণ করাকে বলা হয়।

যাকাত দেওয়ার ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ তায়ালা আটটি খাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। সেই খাতগুলোতেইর যাকাতের অর্থ প্রদান করতে হবে। এর বাইরে কোনো খাতে দিলে তা সাধারণ দান হিসেবে বিবেচিত হবে,যাকাত আদায় হবে না।

কেউ যদি এক বছর ধরে নেসাব পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পত্তি অর্থাৎ ৭ তোলা বা ৮৭.৪৫ গ্রাম বা এর বেশি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ তোলা বা ৬১২.৩৫ গ্রাম রৌপ্যের মালিক থাকে অথবা ৮৭.৪৫ গ্রাম বা এর বেশি স্বর্ণের মূল্যের সমপরিমাণ নগদ অর্থ তার কাছে থাকে, তাহলে ইসলামের দৃষ্টিতে সে সম্পদশালী ব্যক্তি গণ্য হয় এবং তার ওপর যাকাত ওয়াজিব হয়।

নগদ অর্থ, স্বর্ণ/রৌপ্য বা ব্যবসায়ের সম্পদ যেদিন নেসাব পর্যায়ে পৌঁছে, সেদিন থেকেই যাকাতের বর্ষগণনা শুরু হয়। যাকাতের বর্ষ পূর্ণ হওয়ার দিনে ওই ব্যক্তির মালিকানায় যে পরিমাণ বর্ধনশীল সম্পদ অর্থাৎ নগদ অর্থ, ব্যবসায়ের সম্পদ, স্বর্ণ বা রৌপ্য থাকে, তার ৪০ ভাগের ১ ভাগ বা ২.৫ শতাংশ যাকাত হিসেবে দান করে দিতে হয়।
যাকাত ৮টি খাত

যাকাতের খাতগুলো প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় জাকাত হচ্ছে অভাবগ্রস্ত, অভাবী এবং যাকাত (আদায়ের) কাজে নিযুক্ত কর্মচারীদের জন্য, যাদের মনকে ইসলামের প্রতি অনুরাগী করা আবশ্যক তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে (সংগ্রামকারী) ও (বিপদগ্রস্ত) মুসাফিরের জন্য। এ হল আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত (ফরয বিধান)। আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। (সুরা তওবা: ৬০)

এ আয়াত অনুযায়ী যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত আট শ্রেণির মানুষ হলেন-

১. ফকির; যার কিছুই নেই।
২. মিসকিন; যার নেসাব পরিমাণ সম্পদ নেই।
৩. জাকাত আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারী।
৪. আর্থিক সংকটে থাকা নওমুসলিম।
৫. ক্রীতদাস। (মুক্ত হওয়ার জন্য)
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি।
৭. আল্লাহর পথে জিহাদে রত ব্যক্তি।
৮. মুসাফির; স্বদেশে ধনী হলেও যিনি ভ্রমণকালে অভাবগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

তাই বলা যায় যে, যাকাতের টাকা মসজিদের সাধারণ ফান্ডে দেওয়া যাবে না; যা মসজিদ নির্মাণ অথবা ব্যবস্থাপনায় ব্যয় হবে। মসজিদ নির্মাণের কাজে বা মসজিদের প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার কাজে ব্যয় করলে জাকাত আদায় হবে না। তবে কোনো মসজিদে যদি দরিদ্রদের সহায়তায় আলাদা যাকাত ফান্ড থাকে, সেক্ষেত্রে ওই ফান্ডে যাকাতের টাকা প্রদান করা যাবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park