বাজারে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না কোনো পণ্যই। নির্ধারিত দরের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দিয়ে সব কিনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। সবজির দাম নামমাত্র কমলেও, ভরা মৌসুমেও আগুন দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। এদিকে, বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের আন্তরিকতা থাকলেও পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিচ্ছে।
প্রথমবারের মতো আলু, পেঁয়াজ ও ডিমের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। যেখানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর মূল্য ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা, দেশি পেয়াজ ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা এবং প্রতিটি ডিমের মূল্য ধরা হয়েছে ১২ টাকা করে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন- যখন যে পণ্যের মজুদ কমে যায় তখন সেই পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার।
তবে বাজারে এসবের কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে আলু-পেঁয়াজ। ক্রেতাদের ক্ষোভের জবাবে বিক্রেতারা বলছেন- বেশি দামেই কিনে আনতে হচ্ছে তাদের।
মাছের বাজারে ইলিশ কিনতে হচ্ছে, কেজিতে একশ থেকে দুশো টাকা বেশিতে। দেশের চাহিদা না মিটিয়ে ইলিশ রফতানিতে ক্ষোভ ভোক্তাদের। দাম বেড়েছে দেশি ও চাষ করা সবধরনের মাছের।
কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বাড়তিতে বিক্রি হচ্ছে সবধরনের ডাল। কেজিতে দুই-তিন টাকা কমেছে সয়াবিন তেল ও আটা-ময়দার দাম। বাজার করতে এসে হাসফাঁস অবস্থা ক্রেতাদের। তবে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিলছে।
আগের বাড়তি দামেই ১৯০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার ও ৩২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি।
Leave a Reply