1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফের অশান্ত ভারতের মনিপুর, নিহত ৫ ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল, ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের প্রাণহানি জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখতে কৌশলগত নেতৃত্ব তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত শক্তি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে উসকানি দিচ্ছে: রিজভী আ. লীগ ও ধর্ম ব্যবসায়ীরা মিলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে: খায়রুল কবির খোকন শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা সফল হবে না: মাহদী আমিন শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রফতানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ায় রাজিব দাস আটক পোশাকশিল্পে অস্থিরতার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে: জামায়াত আমির

সুগার-ফ্রি ডায়েটে ফল খাওয়া যাবে কি না?

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১১০ বার পঠিত

ক্যালরি কমাতে গেলে অনেকেই প্রথমে চিনি বাদ দেওয়ার কথা ভাবেন। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে— ফলেও তো চিনি আছে, তাহলে ডায়েটের সময় ফল খাওয়া কি বন্ধ করা উচিত?

এই বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি। তার মতে, ফলের প্রাকৃতিক চিনি আর বাইরে থেকে যোগ করা চিনি এক নয়। শরীরের ওপর এই দুই ধরনের চিনির প্রভাব আলাদা।

ডা. শেঠি জানান, ফলে শুধু চিনি নয়, সঙ্গে থাকে ফাইবার, পানি ও নানা উপকারী উপাদান। এগুলো একসঙ্গে কাজ করে শরীরে চিনির শোষণ ধীরে করে। ফলে রক্তে হঠাৎ সুগার বেড়ে যায় না, ইনসুলিনের চাপও কম পড়ে। অন্যদিকে, অ্যাডেড সুগার খুব দ্রুত শরীরে ঢুকে পড়ে এবং রক্তে সুগার ও ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়ায়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

সুগার রিসেটের মূল উদ্দেশ্য হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া। এই সময়ে ফল খাওয়া নিয়ে অনেকের দ্বিধা থাকে। ডা. শেঠির মতে, ১৪ দিনের সুগার রিসেট চলাকালীন দিনে এক বা দুইবার ফল খাওয়া নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর। খাবারের সঙ্গে বা প্রোটিন ও ফ্যাটের সঙ্গে ফল খেলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাও কমে।

আপেল, বেরি, লেবুজাতীয় ফল বা নাশপাতি গোটা অবস্থায় খেলে শরীরের জন্য উপকারী। তবে ফলের জুস বা শুকনো ফল খেলে তা অনেকটা অ্যাডেড সুগারের মতো কাজ করে। তাই ফলের চেয়ে ফল কীভাবে খাওয়া হচ্ছে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সুগার রিসেটের সময় ফল রাখলে ডায়েট মেনে চলা সহজ হয়, হঠাৎ মিষ্টির তীব্র চাহিদা তৈরি হয় না এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ঝুঁকিও কমে। তবে যাদের গুরুতর ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে ফলের পরিমাণ কিছুটা কমানো দরকার হতে পারে।

সব মিলিয়ে ডা. শেঠির বক্তব্য— সুগার-ফ্রি ডায়েট মানে ফল বাদ দেওয়া নয়। এর মানে হলো অ্যাডেড সুগার বাদ দেওয়া।

সূত্র : আজকাল

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park