ছুটির দিনে দুপুরে কিংবা রাতে পোলাও, কোরমা কিংবা রেজালা হলে তো কথাই নেই। ছবি : সংগৃহীত
ছুটির দিনে দুপুরে কিংবা রাতে একটু বিশেষ খাবার না হলে যেন জমেই না। পোলাও, কোরমা কিংবা রেজালা হলে তো কথাই নেই। ছুটির দিনটাকে বিশেষ করে তুলতে গরুর মাংসের রেজালা রান্না করলে মন্দ হয় না। জেনে নিন রেজালার রেসিপি।
উপকরণ
গরুর মাংস-১ কেজি
টক দই-১ কাপ
পেঁয়াজ বাটা-৩ চা চামচ
আদা বাটা-২ চা চামচ
রসুন বাটা-১ চা চামচ
মরিচের গুঁড়া-২ চা চামচ
গোলমরিচের গুঁড়া-১ চা চামচ
বাদাম বাটা-২ চা চামচ
তেল-১/২ কাপ
গরম মসলার গুঁড়া-১ চা চামচ
তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি-২টি করে
জিরার গুঁড়া-১ চা চামচ
কেওড়ার জল-সামান্য (অপশনাল)
লবণ-স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে মাংস ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে। চাইলে মিডিয়াম সাইজে টুকরো করে নিতে পারেন। তারপর ভালোভাবে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
মাংসের সঙ্গে আদা বাটা, রসুন বাটা, মরিচের গুঁড়া, জিরার গুঁড়া, ফেটানো টক দই ও পরিমাণমতো লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে ম্যারিনেট করে রাখুন।
মসলা মাখানো মাংস ঘণ্টাখানেক রেখে দিলে ভালো হয়, যদি আপনার হাতে সময় থাকে। সময়ের স্বল্পতা থাকলে সাথে সাথে রান্না বসিয়ে দিতে পারে।
একটি বড় প্যানে তেল গরম করে তেজপাতা আর গোটা গরম মসলা ফোঁড়ন দিন। তারপর পেঁয়াজ বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করুন।
এবার ম্যারিনেট করা মাংস এতে ঢেলে দিন এবং খুব ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। কষানোর সময় সামান্য পানি দিতে পারেন। মিডিয়াম আঁচে সময় নিয়ে মাংস কষালে সেটার টেস্ট ও রং দুটোই ভালো হবে।
কষানোর পর যখন তেল ভেসে উঠবে, তখন পরিমাণমতো পানি দিয়ে দিন। এবার ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাংস রান্না করুন।
চুলার আঁচ মিডিয়াম রাখবেন।
কিছুক্ষণ পর পর ঢাকনা তুলে নেড়ে দিতে হবে যাতে গ্রেভি না পুড়ে যায়। গরুর মাংস সিদ্ধ হতে কিছুটা সময় লাগবে।
মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে এতে বাদামের পেস্ট ও গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে দিন। এখন চুলার আঁচ একদম কমিয়ে দিন।
এবার ভালোভাবে নেড়ে নিয়ে পাঁচ-দশ মিনিট দমে রাখুন। নামানোর আগে সামান্য কেওড়ার জল দিতে পারেন।
এবার পোলাও কিংবা সাদা ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন গরম গরম গরুর রেজালা।
Leave a Reply