1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

পরিবারের সদস্যদের প্রতিপালনেও যেভাবে সওয়াব হয়

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৫০ বার পঠিত

একটি ফার্সি গল্প আছে। এক ব্যক্তি প্রতিদিন একটি দোকান থেকে ছয়টা রুটি কিনে নিয়ে যায়। একদিন দোকানি কৌতুহল থেকে তাকে জিজ্ঞেস করেন—ভাই আপনি প্রতিদিন ছয়টা রুটিই নেন, এগুলো দিয়ে কী করেন? তিনি বলেন, ‘দুটো দিয়ে দেনা শোধ দিই, দু’টো ধার দিই, একটা ফেলে দিই, আরেকটি নিজে খাই।’

দোকানী যারপরনাই কৌতুহলী হয়ে ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন—’দেনা শোধ দিই মানে বাবা-মাকে খাওয়াই, তারা একসময় আমাকে খাইয়েছে; ধার দিই মানে ছেলে-মেয়েকে খাওয়াই, ওরা বৃদ্ধ বয়সে ফেরত দেবে; ফেলে দিই মানে ওটা বৌকে খাওয়াই, সে আমাকে কোনো দিন খাওয়ায়নি আর কোনো দিন খাওয়াবেও না, আরেকটি তো নিজে খাই।’

কেবল ‘আমল করা’ আর আল্লাহর জন্য ‘আমল করার মধ্যে অনেক তফাত আছে। যেমন ধরুন—পরিবারের সদস্যদের ব্যয়ভার বহন করা একটি কাজ। এটি কিন্তু ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই করে থাকে। আপনিও করেন। কিন্তু কেন করেন? উত্তর হতে পারে—’আরে ভাই এটা কোনো প্রশ্ন হলো না কি, আমার পরিবারের ব্যায়ভার আমি বহন করবে না তো কে করবে?’ কিংবা উত্তর হতে পারে উল্লিখিত গল্পের ব্যক্তির মতো।

কিন্তু আবু মাসঊদ আল বদরী রা. এর বর্ণনায় রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন—’নিসন্দেহে কোনো মুসলিম যখন তার পরিবারের জন্য খরচ করে তা সাদাকা হিসেবে গন্য হবে যদি সে তাকে (ইবাদাত) মনে করে।’ (বুখারী ও মুসলিম)
পকেটের পয়সা সবারই যাবে, এতে কিন্তু কারোরই মাফ নেই। কিন্তু কারটা নিছক খরচ হবে আর কারটা ইবাদাত হিসেবে গৃহীত হবে—তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে নিয়তের উপর। নিয়ত যদি ঠিক থাকে তাহলে বৌয়ের রুটিটাও আর ফেলে দেওয়ার খাতায় উঠবে না।

আপনি যখন পরিবারের জন্য বাজার থেকে মাছটা কিনেন, গোস্তটা কিনেন শাক-সবজি কিনেন, যখন তাদের জন্য জামা-কাপড় কিনে দেন, ডাক্তারের ফী দেন, ওষুধ কিনেন, পড়ালেখার জন্য খাতা পেন্সিল কিনে আনেন—কখনো কি মনের মধ্যে ইবাদাতের অনুভুতি থাকে?

কখনো সচেতনভাবে অস্ফুট আওয়াজে ঠোট নাড়িয়ে কেবল আল্লাহকে শুনিয়ে বলেছেন—’ও আল্লাহ এই খরচ আমি কেবল তোমার সন্তুষ্টির জন্য করছি, তুমি কবুল করো’…? হয়তো বলেননি, হয়তো মনেই হয়নি, হয়তো ভেবেই দেখা হয়ে ওঠেনি এভাবে।

পেছনে যতো পয়সা জলে গেছে—তা তো গেছেই। আজ থেকে আর নয়। আসুন আমরা এক্ষুনি একটি সাধারণ নিয়ত করে নিই যে—পরিবারের ব্যয়ভার আমরা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করবো।

আর সবসময় মনে না থাকলেও মাঝে মধ্যে কেনা-কাটার সময় সচেতনভাবে একটু বলি—’ইন্নামা নুত’ইমুকুম লিওয়াজহিল্লাহ, লা- নুরীদু মিনকুম জাযাআন ওয়া লা- শুকুরান’, অর্থাৎ—’আমরা কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই তোমাদেরকে খাওয়াই; তোমাদের থেকে না এর কোনো প্রতিদান চাই, না কোনো কৃতজ্ঞতা চাই’… (আল কুরআন—৭৬ : ০৯)। ফেসবুক পেইজ আইডিয়াল নিকাহ থেকে সংগৃহীত

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park