1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

ধর্ষণ প্রতিরোধে ইসলামের নির্দেশনা ও শাস্তি কী?

  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯৩ বার পঠিত

আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে নবি আপনি মুমিনদের বলে দিন, তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় পবিত্রতা। নিশ্চয়ই তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। (সূরা নূর : ৩০)।

ইসলামি শরিয়তে শিরক ও হত্যার পর ব্যভিচার বা ধর্ষণ সুস্পষ্ট হারাম ও বড় ধরনের অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়েছে। ইসলামে ব্যভিচারী এবং ধর্ষণকারীকে জনসম্মুখে শাস্তি প্রদানের বিধানের বর্ণনা রয়েছে। যদি বিবাহিত কেউ ব্যভিচার করে তাহলে তার শাস্তি হলো প্রকাশ্যে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া। আর যদি ব্যভিচারী অবিবাহিত হয় তাহলে তাকে প্রকাশ্যে একশটি বেত্রাঘাত করা হবে।

কুরআনে বলা হয়েছে, ‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।’ (সূরা বনি ইসরাইল-৩২)। আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ব্যভিচারিণী ও ব্যভিচারী তাদের প্রত্যেককে একশটি করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকরীকরণে ওদের প্রতি দয়া যেন তোমাদের অভিভূত না করে; যদি তোমরা আল্লাহতে এবং পরকালে বিশ্বাসী হও। আর মুমিনদের একটি দল যেন ওদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (সূরা আর নূর-০২)। হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, অবিবাহিত পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে শাস্তি একশ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে একশ বেত্রাঘাত ও রজম তথা পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড। (সহিহ মুসলিম)।

ইসলামে ব্যভিচারের চেয়েও ধর্ষণের শাস্তি আরও কঠোর করে বর্ণনা করা হয়েছে। ব্যভিচারের ক্ষেত্রে দুজনেই সমানভাবে দোষী থাকে। আর ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষের পাশবিক হিংস্রতার শিকার হয় অন্যপক্ষ। একপক্ষ হয় অত্যাচারী অপরপক্ষ হয় অত্যাচারিত। হাদিসের বর্ণনা থেকে জানা যায়, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হলে নবিজি (সা.) মহিলাকে কোনোরূপ শাস্তি দেননি, তবে ধর্ষককে ওদের শাস্তি দেন।’ (ইবনে মাজাহ ২৫৯৮)।

হজরত সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা.) বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)কে বলতে শুনেছি, ‘সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে যে ব্যক্তি নিহত হয়েছে, সে শহীদ। জীবন রক্ষা করতে গিয়ে যে নিহত হয়েছে, সে শহীদ। দ্বীন রক্ষা করতে গিয়ে যে নিহত হয়েছে, সেও শহীদ। আর সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে যে নিহত হয়েছে, সেও শহীদ।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি)। ওই হাদিস দ্বারা বোঝা যায়, যদি কেউ নিজের সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে মারা যায় তাকে রাসূলুল্লাহ (সা.) শহীদ বলে অবিহিত করেছেন।

সাধারণ আইনে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ ধারা মতে, ‘যদি কোনো পুরুষ কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবে এবং তার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।’ আর ইসলামে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে, প্রথমে ধর্ষক ব্যভিচারের শাস্তি পাবে পরে হত্যার শাস্তি পাবে। ইসলামে ধর্ষণের শাস্তি কঠোর করে প্রদানের হুকুম দেওয়া হয়েছে। যা দেখে অন্য কেউ যাতে এ ধরনের কাজ করতে সাহস না পায়।

ইসলামে ধর্ষণ ও ব্যভিচারকারীকে সবার সামনে শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে যাতে মানুষ এ শাস্তি স্বচক্ষে দেখতে পায় ও নিজে এমন গর্হিত কাজ করতে সাহস না পায়। প্রকাশ্য শাস্তি দেখলে মানুষের মধ্যে ভয় ঢুকবে এবং এ ধরনের জঘন্য কাজ থেকে নিজেকে ও নিজের পরিবারকে হেফাজত করবে। এক্ষেত্রে পারিবারিক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব অনেক।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park