1. news.infotreat@gmail.com : admin :
  2. iftesyfunmarjan@gmail.com : ifte syfun : ifte syfun
  3. shahedshafiq24@gmail.com : Shahed Shafiq : Shahed Shafiq
  4. tanzinaislam00@gmail.com : tanin tanin : tanin tanin
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ১৩ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউ কমিশনের পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ফেরতে ভারতের সহযোগিতা চাইলো বাংলাদেশ এবার সৌদি আরব ভ্রমণে নিজ নাগরিকদের সতর্কতা জারি করলো যুক্তরাষ্ট্র আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ অধ্যায়, মেসির বিদায়ী ম্যাচ ৬ অক্টোবর মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ দেবের বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক অনুমোদন পেল ৩ মেট্রো রেল প্রকল্প সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেফতার ৪ দিনের সরকারি সফরে জাপান গেলেন সেনাপ্রধান

‘কোন পশু কোরবানি দেওয়া যাবে, আর কোনগুলো বৈধ হবে না’

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, ঈদুল আজহায় কোরবানি দেওয়ার জন্য সামর্থ্যবান মুসলমানদের অবশ্যই সুস্থ, তাজা ও নির্দোষ পশু নির্বাচন করতে হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ও হালাল সনদ বিভাগের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আবু ছালেহ পাটোয়ারি বলেন, হাদিসে এমন পশু কোরবানি করার কথা বলা হয়েছে যা সুস্থ, সুন্দর ও ত্রুটিমুক্ত। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদুল আজহা মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। প্রতি বছর আরবি বর্ষপঞ্জির জিলহজ মাসের ১০ তারিখে এই ঈদ পালিত হয়। এ সময় আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা— এই ছয় ধরনের পশুই কোরবানির জন্য বৈধ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুফতি আনিসুর রহমান শিকদার বলেন, হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর নির্দেশে তাঁর প্রিয় সন্তানকে কোরবানি করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, পরে আল্লাহর নির্দেশে সেই স্থলে একটি দুম্বা কোরবানি করা হয়। সেই ঘটনার স্মরণেই কোরবানির বিধান প্রচলিত।

তিনি  আরও বলেন, যাদের ওপর যাকাত ফরজ, তাদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব হিসেবে গণ্য হয়।

ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কোরবানি করা যায়। একাধিক ব্যক্তি মিলে উট, গরু বা মহিষে অংশ নিতে পারেন (সাত ভাগে পর্যন্ত)। বাংলাদেশে সাধারণত গরু ও ছাগল বেশি কোরবানি দেওয়া হয়, আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উট, ভেড়া ও দুম্বার প্রচলন বেশি।

পশুর বয়স সংক্রান্ত নিয়ম- ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা: কমপক্ষে ১ বছর। তবে ৬ মাস বয়সী হলেও যদি দেখতে এক বছরের মতো হয়, তাহলে কোরবানি বৈধ। গরু ও মহিষ: কমপক্ষে ২ বছর। উট: কমপক্ষে ৫ বছর।

ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, যে পশুগুলো ত্রুটিপূর্ণ বা অসুস্থ, সেগুলো কোরবানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

যেমন— খোঁড়া বা দুর্বল পশু, এক চোখ অন্ধ বা দৃষ্টিশক্তি মারাত্মকভাবে কম, গুরুতর অসুস্থ পশু, অতিরিক্ত কৃশ বা দুর্বল পশু, যা দেখে অপছন্দ হয়; দাঁত, কান বা শিং গুরুতরভাবে ভাঙা পশু, এমন পশু যা জবাইয়ের জায়গা পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না।

মুফতি আনিসুর রহমান শিকদার বলেন, পশু কেনার পর যদি কোনো ত্রুটি দেখা দেয়, তাহলে পরিস্থিতিভেদে সেটি কোরবানি করা যেতে পারে।

হাদিস অনুযায়ী কোরবানির পশু হতে হবে- মোটা ও সুস্থ, ত্রুটিমুক্ত, সুন্দর ও আকর্ষণীয়, শারীরিকভাবে সবল ও স্বাভাবিক।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোরবানির জন্য চার ধরনের পশু এড়িয়ে চলা উচিত- খোঁড়া পশু, এক চোখ অন্ধ পশু, মারাত্মক অসুস্থ পশু ও অত্যন্ত দুর্বল ও কৃশ পশু।

কিছু পশু কোরবানির জন্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না হলেও তা অপছন্দনীয় (মাকরুহ), যেমন- জননাঙ্গ কাটা (জন্মগত না হলে), দাঁত বা কান আংশিকভাবে নষ্ট, দুধ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে এমন পশু, স্বাভাবিকভাবে দলের সঙ্গে চলতে না পারা পশু।

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরবানির ক্ষেত্রে পশু নির্বাচনে ধর্মীয় বিধান মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, তাই সুস্থ, সুন্দর ও ত্রুটিমুক্ত পশুই নির্বাচন করা উচিত।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2026 NEWS NOW BD
Theme Customized By Shakil IT Park