‘হেক্সা’ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপে পা রেখেছিল ব্রাজিল। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সেই স্বপ্ন থেমে গেছে শেষ ষোলোতেই। মাঠের হতাশার মধ্যেও আর্থিক পুরস্কারের হিসাবে বড় অঙ্কের অর্থ নিয়েই বিশ্বকাপ মিশন শেষ করছে সেলেসাওরা।
টুর্নামেন্টে ৯ম থেকে ১৬তম স্থানের মধ্যে থাকায় পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কার হিসেবে ব্রাজিল পাবে ১ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা।
এর সঙ্গে অংশগ্রহণ বাবদ ১ কোটি ডলার এবং প্রস্তুতি ভাতা হিসেবে আরও ২৫ লাখ ডলার পাবে ব্রাজিল। অর্থাৎ শুধু অংশগ্রহণ ও প্রস্তুতির জন্যই দলটির প্রাপ্তি ১ কোটি ২৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১৫৩ কোটি টাকা।
সব মিলিয়ে এবারের বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের মোট প্রাপ্তি দাঁড়াচ্ছে ২ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা।
এবার বিশ্বকাপ ১১তম স্থানে শেষ করেছে ব্রাজিল, যা দলটির বিশ্বকাপ ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থান। এর আগে ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপেও ১১তম হয়েছিল সেলেসাওরা।
ব্রাজিলের সবচেয়ে বাজে বিশ্বকাপ মিশন ছিল ১৯৩৪ সালে। ইতালিতে অনুষ্ঠিত সেই আসরে প্রথম ম্যাচেই স্পেনের কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিদায় নেয় তারা। টুর্নামেন্ট শেষ করেছিল ১৪তম স্থানে।
২০২৬ বিশ্বকাপে রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার অর্থ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা।
পারফরম্যান্সভিত্তিক পুরস্কারে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫১ মিলিয়ন ডলার, রানার্সআপ ৩৪ মিলিয়ন, তৃতীয় স্থান অর্জনকারী ৩০ মিলিয়ন এবং চতুর্থ দল পাবে ২৮ মিলিয়ন ডলার। পঞ্চম থেকে অষ্টম স্থানের দলগুলো পাবে ২০ মিলিয়ন এবং নবম থেকে ১৬তম স্থানের দলগুলোর জন্য বরাদ্দ ১৬ মিলিয়ন ডলার।
শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে গেলেও তাই খালি হাতে ফিরছে না ব্রাজিল। মাঠের ব্যর্থতার বিপরীতে ফিফার পুরস্কার ও ভাতা মিলিয়ে সেলেসাওদের বিশ্বকাপ প্রাপ্তি প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা।
Leave a Reply