দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেমেছে শীত। রাতে বেশ ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। দেখতে দেখতে চলেই এলো লেপ-কম্বল আর শীতের পোশাক বের করার দিন। তবে এক বছর ধরে তুলে রাখা শীতের এসব কাপড়
শীতের দিনে সবচেয়ে মজার এবং মুখোরোচক একটি খাবার হলো হাঁসের মাংস। এ সময় নতুন চালের গুঁড়া দিয়ে রুটি করে অথবা গরম ভাতের সঙ্গে হাঁসের মাংস যেন অমৃত এক খাবারে নাম।
শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় আমাদের স্বাস্থ্য বজায় রাখা অন্যতম প্রয়োজনীয় সমস্যা হয়ে ওঠে। শীতকালে আমাদের শরীরে ইমিউনিটি বজায় রাখা এবং শরীরকে শক্তিশালী করার জন্য ডাক্তাররা নানা মৌসুমি ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন।
অতিরিক্ত পরিমাণে চুল উঠতে দেখলে দুশ্চিন্তা হওয়াই স্বাভাবিক। আর সাম্প্রতিক সময়ে পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে অনেকে চুল পড়ার সমস্যায় ভুক্তভোগী। তাই চুল পরার সমস্যা কমাতে কেউ কেউ দামি শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, আবার
বাংলাদেশের মানুষের কাছে কচু খুবই পরিচিত একটি সবজি। দামে বেশ সস্তা এবং সহজলভ্য হওয়ায় এটি জনপ্রিয় সবজি। এ ছাড়াও কচুতে আছে নানারকম ভিটামিন, যা অন্ত:সত্ত্বা মা ও শিশুর জন্য দারুণ
পৃথিবীতে প্রায় প্রতিটি মানুষেরই বৈশিষ্ট্য স্বতন্ত্র। প্রায় প্রত্যেকেরই আচরণগত স্বভাব আলাদা। কেউ কেউ যেকোনো বিষয়ে খুব বেশি সিরিয়াস, আবার কেউ কেউ থাকেন সবকিছুতেই তাদের গা-ছাড়া ভাব। কেউ কেউ থাকেন নিজের
শীতে সর্দি-জ্বর খুব সাধারণ সমস্যা হলেও দীর্ঘ সময় ধরে শিশুর ঠান্ডা-কাশি থাকলে নাকের পেছনে মাংস বেড়ে যেতে পারে। একে এডেনয়েড গ্রন্থির সমস্যা বলে। নাকের পেছনে ও তালুর ওপরে থাকে এডেনয়েড
শুকনো কাশি সাধারণত দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এমনিতেই সেরে যায়। কিন্তু অনেক সময় কাশি কয়েক মাস থেকে এক বছরের জন্যও থাকতে পারে। কারণ, ভাইরাসের কারণে শ্বাসনালি ফুলে ও অতিমাত্রায়
সাধারণত পানিকে পরিশোধিত করতে ফিটকিরি ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটা আরও বিভিন্ন কাজে লাগে। ত্বকের সমস্যা থেকে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে ফিটকিরি খুবই কাজের জিনিস। ফিটকিরির আরও বেশ কিছু
সন্ধ্যার নাস্তায় কী বানানো যায় তা নিয়ে কখনো কখনো খুব চিন্তায় পড়তে হয়। তবে শীতের দিনে এ চিন্তাটার সমাধানও করা যায় সহজে। কারণ শীতের সন্ধ্যায় নাস্তা হিসেবে ভাজা পোড়া অথবা