র্যাংকিংয়ের পার্থক্যটা মাঠেও স্পষ্ট হলো। শক্তিতে এগিয়ে থাকা মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হেরে আসিয়ান কাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাংকিংয়ে ১৮১তম বাংলাদেশকে হারানো ১৩৬তম মালয়েশিয়ার হয়ে জোড়া গোল করেছেন আরিফ আয়মান। অন্য গোলটি করেছেন অভিষিক্ত বার্গসন।
ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কর্ন স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই চাপে ছিল বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত থাকতে হয় হামজা চৌধুরী-তারিক কাজীদের।
১৮ মিনিটে প্রথমবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠান আয়মান। ডান দিক থেকে বক্সে ঢুকে গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান তিনি। ৩৮ মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন মালয়েশিয়ার এই ফরোয়ার্ড।
বিরতির আগে আরও একবার গোল হজমের শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে ৪৪ মিনিটে দারুণ সেভে দলকে রক্ষা করেন শ্রাবণ। প্রথমার্ধে অবশ্য মালয়েশিয়ার গোলমুখে একটি শটও নিতে পারেনি বাংলাদেশ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান আরও বাড়ায় মালয়েশিয়া। ৫৩ মিনিটে বক্সের ভেতর বল পেয়ে দ্রুত ঘুরে দুর্দান্ত ফিনিশিং করেন ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত স্ট্রাইকার বার্গসন। মালয়েশিয়ার জার্সিতে অভিষেকেই গোল পেলেন তিনি।
৭৬ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিলেন হামজা। শাহরিয়ান ইমনের পাস থেকে বক্সে একা পেয়েও গোলরক্ষককে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি। ফিরতি বলেও গোলের দেখা পাননি হামজা। ৮২ মিনিটে সুযোগ পেয়েছিলেন ইমনও, তবে তাঁর দুর্বল শট সহজেই নিয়ন্ত্রণে নেন মালয়েশিয়ার গোলরক্ষক।
উল্টো ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করে গোলপোস্ট। ফারগাস তিয়ারনির জোরালো শট বারে লেগে ফিরে না এলে ব্যবধান দাঁড়াত ৪-০।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। এ ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছে ফারহান আলী ওয়াহিদ, শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফের। তবে জয় দিয়ে অভিষেক রাঙানো হয়নি এই তিন প্রবাসী ফুটবলারের।
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে এটি বাংলাদেশের অষ্টম হার। দুই দলের ১১ দেখায় বাংলাদেশের জয় একটি, আর দুটি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর। সেদিন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামবে হামজা চৌধুরীর দল।
Leave a Reply