শীত-গ্রীষ্ম, বর্ষাসহ প্রায় মৌসুমেই খিচুড়ি খাওয়া যায়। এই খাবারটি সহজে রান্না করা যায়, আবার স্বাদেও পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে অনেকেই ডায়েট করার কারণে খিচুড়িতে চাল দিতে চান না। কেননা চালে অনেক
বয়স বাড়লে চুলে পাক ধরাটা স্বাভাবিক। তবে এখন স্কুল-কলেজে পড়া ছাত্র- ছাত্রীদের মাথাও ভরে যাচ্ছে সাদা চুলে। এই সমস্যা কারও কারও জীবনে বিভীষিকা হয়ে দেখা দেয়। পাকা চুল কালো করার
সারাদিন অবিরাম বৃষ্টি ঝড়ছে। খিচুড়ি খাওয়ার জন্য একদম উপযুক্ত আবহাওয়া। খাবারের মেন্যুতে ভুনা বা ল্যাটকা খিচুড়ি যেটাই হোক, এর সঙ্গে কি থাকতে পারে। ঝটপট কয়েকটি আইটেম করে ফেলুন। বাসায় পটল
বাড়িতেই সহজে বানিয়ে নিন মেক্সিকান সালাদ শসা, পেঁয়াজ, গাজরের সালাদ তো অনেকেই পছন্দ করেন। এবার রেস্টুরেন্টের মতো মেক্সিকান সালাদও বাড়িতে সহজে বানিয়ে নিতে পারেন। এটা খেতে আরও সুস্বাদু এবং তৈরি
শারীরিক ভাবে শিশুরা কেমন হবে, তা অনেকটাই নির্ভর করে তার বড় হয়ে ওঠা এবং খাদ্যাভাসের উপর। কিন্তু শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের চাবিকাঠি থাকে তার পরিবারের হাতে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে তার
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন আদা খান। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে। এ ছাড়া আপনার রক্তনালি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে আদা চা। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে আদায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল
প্রশান্তির অন্যতম মাধ্যম গোসল। অনেকে প্রতিদিন একাধিকবারও গোসল করেন, অনেকে একবার করেন। তবে, এই অঞ্চলে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল যিনি নিয়মিত গোসল করেন না। আর তাই, গোসলপ্রেমীজন্যই আজকের আয়োজন।
চিনাবাদাম আমাদের দেখে খুব পরিচিত একটি খাবার। গল্প, আড্ডা, সিনেমা দেখা থেকে শুরু করে এমন অনেক জায়গা আছে, যেখানে চিনাবাদাম না হলে জমেই না। চিনাবাদাম স্বাদেও ভাল। এতে রয়েছে, অজস্র
মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান ক্যালসিয়াম। এই উপাদান হাড় শক্ত ও মজবুত রাখে। শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে কিছু উপসর্গ ফুটে ওঠে। কম বয়সে শরীরে ভরপুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকলেও, বয়স বাড়লে এই
শিশুর সংবেদনশীল ত্বক নিয়ে ভয়ে থাকেন মায়েরা। খাওয়া ও ঘুমের পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে ভাবনার আর শেষ নাই তাদের। বিশেষ করে শিশুর ত্বকের শুষ্কতা নিয়ে। শুষ্কতা থেকে শিশুর ত্বকের সুরক্ষায়