বর্তমান ব্যস্ত জীবনে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম—সব মিলিয়ে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে শান্ত
ভাজাপোড়া খাবার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর দুশ্চিন্তার কারণে গ্যাস্ট্রিক এখন ঘরে ঘরে পরিচিত সমস্যা। বুক জ্বালাপোড়া করলেই আমরা চট করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ফেলি। কিন্তু নিয়মিত এভাবে ওষুধ খাওয়া লিভার বা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ মানেই পরিবারের সবার সঙ্গে মিলেমিশে মজার সব খাবার খাওয়া। আর ঈদের দুপুরের মেনুতে যদি থাকে একটু ভিন্ন স্বাদের বিরিয়ানি, তবে উৎসবের আমেজ যেন বহুগুণ বেড়ে যায়।
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ভাজাপোড়া খেয়ে পেট ভার না করে ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করছেন অনেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে,
পবিত্র মাহে রমজানে সারাদিন উপোস থাকার পর ইফতারে শরীরকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখার সহজ উপায় হলো এক গ্লাস কমলার শরবত। তাজা কমলার রসের ঝাঁজালো স্বাদ আর হালকা মিষ্টতা মিলিয়ে তৈরি
ইফতারে পানিশূন্যতা দূর করতে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে তরমুজের শরবত হতে পারে দারুণ একটি পানীয়। তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে, যা সারাদিন রোজা রাখার পর দ্রুত তৃষ্ণা মেটাতে সাহায্য
রমজান মাসে ইফতারে অনেকের জিলাপি ছাড়া চলে না। কিন্তু বাইরের জিলাপি নিয়ে এখন সাধারণ মানুষের মনে নানা দুশ্চিন্তা। মুচমুচে করতে অনেক ক্ষেত্রে জিলাপিতে হাইড্রোজেনের মতো ক্ষতিকারক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়,
রোজার মাসে ইফতারে আমরা সাধারণত পেঁয়াজু, বেগুনি বা চপ খেতে পছন্দ করি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন খালি পেটে থাকার পর এই ভাজাপোড়া খাবারগুলো শরীরের জন্য বেশ ক্ষতিকর। ভাজাপোড়া কেন ক্ষতিকর?
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাবারে সতর্কতা থাকা খুব জরুরি। যত্ন না নিলে রক্তে চিনি বেড়ে যেতে পারে, যা শরীরে নানা জটিলতার কারণ হতে পারে। অনেক ডায়াবেটিস রোগী ডাব খাওয়া এড়িয়ে চলেন।
ডিম সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। বিশেষ করে কম খরচে ভালো মানের প্রোটিন পেতে ডিমের তুলনা নেই। প্রতিদিন দুটি সিদ্ধ ডিম খেলে শরীরের নানা দিকেই ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।