ঢেঁড়স শুধু একটি সুস্বাদু সবজিই নয়, এটি পুষ্টির ভাণ্ডার। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি-কমপ্লেক্স ও সি। তবে স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বকের যত্নেও ঢেঁড়স সমান কার্যকর। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা ফেরাতে
রোদের তেজ বোঝাচ্ছে গরম এসে পড়েছে। তীব্র গরমে একটু স্বস্তির খোঁজে ঘরে ঘরে এখন এসি চালানোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর যান্ত্রিক পরীক্ষা না করেই এসি
বর্ষা বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় ঘরে-বাইরে কীটপতঙ্গের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া খুবই সাধারণ সমস্যা। তেলাপোকা, পিঁপড়া, মশা-মাছি তো আছেই, তার সঙ্গে টিকটিকি ও মাকড়সার আনাগোনাও বাড়ে। অনেকেই বাজারের রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার করেন,
খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম হলেই পেট ভার, অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে এ ধরনের সমস্যা আরো বেড়ে যায়। একসঙ্গে বেশি বা ভারী খাবার খেলেও হজমে গোলমাল
ফুল, ফলের গাছ লাগিয়েছেন। ছাদজুড়ে বাগানও করেছেন। কিন্তু সেই গাছের পরিচর্যায় কোন সার দেবেন? বাগানপ্রেমীরা অনেকেই প্রকৃতি এবং পরিবেশের স্বার্থে এখন জৈব সারে ভরসা করেন। রাসায়নিক সার বাদ দিয়ে হাতের
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এখন অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। কাজের চাপ, মানসিক উদ্বেগ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম—সব মিলিয়ে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরকে শান্ত
ভাজাপোড়া খাবার, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর দুশ্চিন্তার কারণে গ্যাস্ট্রিক এখন ঘরে ঘরে পরিচিত সমস্যা। বুক জ্বালাপোড়া করলেই আমরা চট করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে ফেলি। কিন্তু নিয়মিত এভাবে ওষুধ খাওয়া লিভার বা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ মানেই পরিবারের সবার সঙ্গে মিলেমিশে মজার সব খাবার খাওয়া। আর ঈদের দুপুরের মেনুতে যদি থাকে একটু ভিন্ন স্বাদের বিরিয়ানি, তবে উৎসবের আমেজ যেন বহুগুণ বেড়ে যায়।
সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের হারানো শক্তি ফিরে পেতে পুষ্টিকর খাবারের কোনো বিকল্প নেই। ভাজাপোড়া খেয়ে পেট ভার না করে ইফতারে স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু খাবারের খোঁজ করছেন অনেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে,
পবিত্র মাহে রমজানে সারাদিন উপোস থাকার পর ইফতারে শরীরকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখার সহজ উপায় হলো এক গ্লাস কমলার শরবত। তাজা কমলার রসের ঝাঁজালো স্বাদ আর হালকা মিষ্টতা মিলিয়ে তৈরি